ডেস্ক: জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান নেতা মাসুদ আজহারকে জঙ্গি তকমা দিতে নারাজ চিন। চিনের এই আচরণে ক্ষুব্ধ ভারত। ভারত জানায়, চিন মাসুদকে নিয়ে কোনও সদুত্তর ব্যাখ্যা দিতে পারছে না। তবে এরই মাঝে বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন এক পাক সাংবাদিক। তার মতে, চিন কেন পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন, কিন্তু চিনের শত্রু দলাই লামাকে ভারত যে এতদিন ধরে আশ্রয় দিয়ে আসছে তা বুঝতে আর কারও অসুবিধে হচ্ছে না। সাংবাদিকের এহেন মন্তব্যের পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, কী করে একজন জঙ্গির সঙ্গে দলাই লামার তুলনা করা যায়? নোবেলজয়ী ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মাসুদের তুলনায় অনেকই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দেন। অনেকে বলছেন, তার এমন মন্তব্য করার আগে ভাবা উচিত ছিল। কিছুজন বলছেন, পাকিস্তানের কাছ থেকে এটাই আশা করার ছিল। কেউ কেউ বলছেন, একজন সাংবাদিকের এহেন মন্তব্যের জেরে সমস্যা হতে পারে।

তার এই বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে যায়। পাক সাংবাদিক হামিদ মিরকে আক্রমণ করতে পিছু পা হচ্ছেন না কেউই। একজন টুইট করে বলেছেন, যে দেশ সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থ, জঙ্গিদের আশ্রয় দেয় তাদের কাছ থেকে কিছুই আশা করা যায়না। হামিদের পেশাদারিত্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। তবে এই প্রথম হামিদ কোনও বেফাঁস মন্তব্য করেননি। পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের কৃষকেরা জানিয়েছিলেন, এখন থেকে আর কোনও ফসল পাকিস্তানে পাঠানো হবে না। তাছাড়া টমেটোও পাঠানো হবে না বলে জানানো হয়। এই প্রসঙ্গে সাংবাদিক বলেন, তারা যদি টমেটো না পাঠায় তাহলে গ্রেনেড ছোড়া হবে।

প্রসঙ্গত, কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার দায় স্বীকার করে পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ। এই জঙ্গি গোষ্ঠীর প্রধান মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল বিভিন্ন দেশ। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব আনে ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং আমেরিকা। কিন্তু সবসময়েই পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় চিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here