মহানগর ওয়েবডেস্ক: লাদাখ সীমান্তে চিনের আগ্রাসন নিতে থামিয়ে দেওয়া ভারতের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে চিন। জম্মু-কাশ্মীরে অশান্তির আগুনে ঘি ঢালতে উপত্যকায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র প্রবেশ করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানকে। শুক্রবার এক গোপন রিপোর্টের ভিত্তিতে এই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে সরকারি সূত্রে। গোপন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা বিভাগ আইএসআইকে চিন নির্দেশ দিয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গিদের হাতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার।

সরকারি সূত্রের দাবি, এ প্রমাণ ইতিমধ্যেই উঠে এসেছে জম্মু কাশ্মীর থেকে। এখনো পর্যন্ত উপত্যকায় যে সমস্ত জঙ্গি নিধন পর্ব চলেছে এবং তাদের কাছ থেকে যেসব হাতিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে তার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে সেইসব অস্ত্রশস্ত্র চিনের। জানা গিয়েছে, সীমান্ত ব্যাপক নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণে অনুপ্রবেশ ও অস্ত্র পাচার দুই ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হচ্ছে পাক জঙ্গিরা। এহেন অবস্থায় শীত শুরুর আগেই আইএসআইয়ের কাছে নির্দেশ করেছে আরো বেশি করে অনুপ্রবেশ ও অস্ত্রশস্ত্র উপত্যকায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য। কারণ শুরু হয়ে গেল প্রবল তুষারপাত ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে অনুপ্রবেশকারীদের মৃত্যুহার ভীষণ ভাবে বেড়ে যায়।

আর এই রিপোর্ট হাতে আসার পর নিয়ন্ত্রণরেখায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অনুপ্রবেশ আটকাতে কোমড় বেঁধে নেমেছে ভারতীয় সেনা। সাম্প্রতিক সময়ে সেনাপ্রধান এমএম নারাভানে, বিএসএফ প্রধান রাকেশ আস্তানা এবং সিআরপিএফ প্রধান এপি মাহেশ্বরী প্রত্যেকে গত ১০ দিনে উপত্যাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এসেছেন। যাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে কোনরকম সমস্যা না হয়।

এদিকে সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, উপত্যকায় নিয়ন্ত্রণ রেখার নিকটবর্তী অঞ্চলে অস্ত্রবিহীন অবস্থায় কেউ উপস্থিত হলে তার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেয় না সেনা। তবে অস্ত্রসহ নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করার কোনও রকম প্রচেষ্টা দেখা দিলে গুলি চালাতে কোনরকম কার্পণ্য করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে অস্ত্রোপচারের জন্য সম্প্রতি অন্য পন্থা হাতিয়ার করেছে পাকিস্তান। চিনের ড্রোনের সাহায্য নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে গোপনে পাচার করা হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র। একাধিকবার এমন ড্রোন সেনার হাতেও পড়েছে। তবে পাকিস্তানের এই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করতে নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে উপত্যকায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here