মহানগর ওয়েবডেস্ক: কিছুদিন আগেই ইসলামাবাদে কৃষ্ণ মন্দির নির্মাণের কথা ঘোষণা করেছিল ইমরান সরকার। ঘটা করে হয় শিল্যান্যাস। মন্দির গড়ার জন্য প্রায় ১০ কোটি টাকা বরাদ্দও করে পাক সরকার। কিন্তু ক্ষমতাসীন দল ইমরান খানের তেহরিক ই ইনসাফের জোটসঙ্গী পাকিস্তান মুসলিম লিগ – কায়েদ দলের আপত্তিতে সেই মন্দিরের নির্মাণকার্য শুরু হওয়ার আগেই থমকে গেল।

কিছুদিন আগেই এই মন্দিরের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দের পাশাপাশি এক মন্ত্রী দাবি করেছিলেন এই মন্দির নির্মাণের জায়গাটি বরাদ্দ হয়েছিল
পাকিস্তান মুসলিম লিগের শাসনে, ২০১৬ সালে। কিন্তু ইমরান সরকারের বর্তমান জোটসঙ্গীর দাবি, ইসলামের নামেই পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম। দেশের রাজধানীতে তাই হিন্দু মন্দির নির্মাণ শুধু যে ইসলাম বিরোধী তাই নয়, রিয়াসত এ মদিনা বিরোধীও।

প্রসঙ্গত, কদিন আগেই মন্দির তৈরীর জন্য ভুমি পূজা সম্পন্ন করেছেন পাকিস্তানের মানবাধিকারের সংসদীয় সচিব লাল চাঁদ। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইসলামাবাদ ও তার আশপাশের অঞ্চলে ১৯৪৭ সালের আগে একাধিক মন্দির ছিল। এখনও সোদপুর গ্রামে নদীর পাশে দুটি মন্দির রয়েছে। যদিও তা ব্যবহার করা হয় না। পাক সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানানো হয়, ইসলামাবাদে হিন্দু জনসংখ্যা গত দুই দশকে অনেকটাই বেড়েছে আর সেহেতু মন্দিরের দাবি ওঠে। এ প্রসঙ্গে হিন্দু রীতি মেনে দাহ করার জন্য শ্মশানের অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন লালচাঁদ।

এ প্রসঙ্গে ইসলামাবাদের ধর্ম সংক্রান্ত বিষয়ের মন্ত্রী পীর নুরুল হক কাদরী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, এই মন্দির ঘুরতে পুরো অর্থ ব্যয় করছে পাকিস্তান সরকার। মন্দিরের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। এ প্রসঙ্গে ওই মন্ত্রকের এক বরিষ্ঠ আধিকারিক বলেন এর আগে বেশ কয়েকবার মন্ত্রী মন্দির করার জন্য পাক সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। দাবি মতোই এরপর সিদ্ধান্ত নেয় ইমরান। মন্দিরের পাশে একটি শ্মশান তৈরীর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কট্টরপন্থী দলের বিরোধিতায় সেসব এখন বিশ বাও জলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here