ডেস্ক: যুবসমাজকে জঙ্গিদলে নাম লেখানোর জন্য নয়া ফন্দি এঁটেছে পাকিস্তান। সূত্রের খবর, ‘হানিট্র্যাপ’-এর দ্বারা কাশ্মীরের অল্প বয়সি যুবকদের জঙ্গিদলে নাম লেখাতে বাধ্য করছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন। জঙ্গিদলে নাম লেখানো এই অল্প বয়সি যুবকদের তারা অস্ত্র সরবরাহের কাজে, বা মানববোমা হিসেবে ব্যবহার করে।

কিছু সপ্তাহ আগে তদন্তকারীর একটি দল কাশ্মীরের বন্দিপোর থেকে সাজিয়া নামে এক ৩০ বছর বয়সি মহিলাকে গ্রেফতার করেছে। তারা জানতে পেরেছে, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় তার একাধিক অ্যাকাউন্ট রয়েছে যাতে কাশ্মীরের বহু মানুষই রয়েছেন। তদন্তকারী সূত্রে খবর, ইন্টারনেটে এই মহিলার গতিবিধি তারা বেশকিছু সপ্তাহ ধরে নজরে রেখেছে। তার ম্যাসেজ পড়ে দেখা গেছে, বহু কাশ্মীরি যুবকদের সঙ্গে তিনি দেখা করতে রাজি হয়েছেন তবে তার একটাই শর্ত, নির্দিষ্ট ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ পূরণ করতে হবে। কোনও জিনিস এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে দেওয়াই হত সেই কাজ।

পুলিশ তদন্ত করে জানতে পেরেছে, এই সাজিয়ার সঙ্গে জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের পোক্ত যোগাযোগ ছিল। সেই দলেরই শেরওয়ান নামের এক জঙ্গি তাকে ওই পাক জঙ্গি সংগঠনের প্রধানের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেয়। তারপর থেকেই কাশ্মীরে ‘হানিট্র্যাপ’-এ ব্যবহার করা হত সাজিয়াকে।

সাজিয়া ছাড়াও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন আশিয়া জান (২৮) নামের এক মহিলা। তাকে তল্লাশি করে ২০ গ্রেনেডও উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর পাশাপাশি আশিয়ার ফোন ঘেঁটেও ওরকম ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ পূরণ করার ম্যাসেজ পাওয়া গেছে। সুতরাং একটা বিষয় পরিস্কার, মেয়েদের কাজে লাগিয়ে এখন জঙ্গিদল মজবুত করতে চাইছে পাকিস্তান। কাশ্মীরি যুবসমাজকে মোহতে রেখে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মাত্রা আরও বাড়াতে চাইছে তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here