মহানগর ওয়েবডেস্ক: সীমান্তে কড়াকড়ির জন্য সম্প্রতি উপত্যকায় হিংসার আগুন জ্বালাতে প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করেছে পাকিস্তান। অস্ত্র বহনকারী ড্রোনের মাধ্যমে উপত্যকার জঙ্গিদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে একে ৪৭, আইইডির মত মারাত্মক সব অস্ত্রশস্ত্র। দিনের আলোয় ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের এমনই সব হাতিয়ার বাজেয়াপ্ত করেছে সেনা গ্রেপ্তার করা হয়েছে বেশ কয়েকজন জঙ্গিকে। যার জেরেই এবার রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানের তরফের শুরু হয়েছে অস্ত্র পাচারের কাজ। সম্প্রতি এমনই তথ্য প্রকাশে এনেছে জম্বু কাশ্মীর পুলিশ। গতরাতে উপত্যকার আখনুন এলাকার একটি গ্রামে এ কে ফরটিসেভেন একাধিক পিস্তল বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ অনুমান করা হচ্ছে ড্রোনের মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে পাঠানো হয়েছে এই সমস্ত অস্ত্র।

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে, অন্ধকার রাতে উপত্যকা থেকে জঙ্গিদের বিশেষ সিগন্যাল ফলো করে ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্রশস্ত্র পাঠাচ্ছে পাকিস্তান। সম্প্রতি তল্লাশি অভিযান চলাকালীন উপত্যকার যৌদ শোহাল গ্রাম থেকে দুটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, একটি পিস্তল, তিনটি একে ম্যাগাজিন ও ৯০ হাজার রাউন্ড গুলি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। একইভাবে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে আখনুর গ্রাম থেকেও। যেখান থেকে পাক সীমান্তের দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার। বিশ্বের দাবি এই সমস্ত অস্ত্র উপত্যাকায় জঙ্গিদের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান। জম্মু পুলিশের এক বরিষ্ঠ আধিকারিকের দাবি, এ ঘটনার পেছনে জইশ-ই-মহম্মদের হাত রয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে পঞ্জাবে ঠিক একইভাবে ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্রশস্ত্র পাচার করে এসেছিল পাকিস্তান। সীমান্তবর্তী ওই রাজ্যে বহু পাকিস্তানি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছিল ভারতীয় সেনা। এরপর পঞ্জাবে সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে থাকা বিএসএফকে সতর্ক করা হয়। কত বছর অক্টোবর মাসে পঞ্জাবে একে ৪৭, গ্রেনেড ও স্যাটেলাইট ফোন বাজেয়াপ্ত করেছিল নিরাপত্তা বাহিনী। অনুমান করা হচ্ছে ঐ সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র জম্বু কাশ্মীরের জঙ্গিদের পৌঁছে দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here