ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর মনোনয়ন জমাকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গোটা রাজ্য। বিজেপি তথা বিরোধীদের মারধোর থেকে শুরু করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিনই সঙ্ঘর্ষের জেরে বাঁকুড়ায় আহত এক বিজেপি প্রার্থীর মৃত্যু হয়েছে৷ সরকারের বিরুদ্ধে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ তুলে সুপ্রিমকোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। তবে বিরোধীদের সেই সমস্ত অভিযোগ বৃহস্পতিবার ফের উড়িয়ে দিলেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

পাল্টা নির্বাচন কমিশনের কাছে বিজেপির বিরুদ্ধে হিংসা ও কূমন্তব্যের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে যান পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত বক্সি সহ তৃণমূলের তাবড় তাবড় নেতারা। সেখানেই সাংবাদিকদের সামনে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘শুধুমাত্র চাপ সৃষ্টি করে নির্বাচন কমিশনকে দুর্বল করার চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। মিডিয়ার সামনে মুখ দেখিয়ে প্রচারে থাকতে চায় তাঁরা। আর সেই কারনেই এই কাণ্ড করে যাচ্ছে। কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি রাজ্যে। যেটুকু যা হচ্ছে তা বিজেপি ভাড়া করা বহিরাগত গুন্ডারা করছে।’

এদিন পার্থবাবু আরও বলেন, ‘যদি হিসাব অনুযায়ী দেখা যায় তবে তৃণমূলের থেকেও বেশী সংখ্যায় মনোনয়ন জমা দিয়েছে বিজেপি। সমান ভাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছে কংগ্রেস এবং সিপিএমও। যদি মনোনয়নে বাধা দেওয়ার ঘটনা সত্য হয় তবে বিজেপি এত মনোনয়ন কিভাবে জমা দিচ্ছে।’ অন্যদিকে, এদিন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিজেপি নেতা মুকুল রায় বলেন, ‘এ রাজ্য গণতন্ত্রকে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য পুলিশ মমতার দাস, বিডিও অফিস পাহারা দিচ্ছে তারা। মনোনয়ন তোলার দিন থেকেই অশান্তি শুরু হয়েছে, দেশের কোথাও এইভাবে নির্বাচন হয় না।’ সেই সঙ্গে রাজ্যের বুদ্ধিজীবী মহলকেও তোপ দাগতে ছাড়েননি তিনি। তাঁর কথায়, ‘তৃণমূলের বুদ্ধিজীবীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাসত্ব করেন। মমতাকে খুশি করতে তারা পথে নামবেন বলছেন। রাজ্যের কোনও সাংবাদিক যদি বলেন শান্তিপূর্ণভাবে মনোনয়ন পর্ব চলছে তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব আমি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here