মহানগর ওয়েবডেস্ক: দ্বিতীয় মোদী সরকারের প্রথম সাধারণ বাজেটের সমালোচনায় মুখর রাজ্যের শাসক থেকে বিরোধী শিবির। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের বাজেট পেশের পর এই বাজেটকে কটাক্ষ করেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী আবার একের পর এক তথ্য তুলে ধরে এই বাজেটকে ‘ফাঁপা’ বলে কটাক্ষ করেন।

২০১৯-২০ অর্থবর্ষের বাজেটের সমালোচনা করতে গিয়ে বাংলাকেই হাতিয়ার করেন পার্থবাবু। পেট্রোল ডিজেলে ১ টাকা সেস বাড়ানোর সিদ্ধান্তের বিরোধীতায় মুখর হন তিনি। তৃণমূল মহাসচিবের কথায়, ‘বাংলাকে যে স্পেশাল প্যাকেজ দেওয়ার কথা হয়েছিল তা হয়নি। বাংলাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহণের খরচও বহু পরিমাণে বাড়বে। আর পরিবহণের খরচ বাড়লে দুর্দশা বাড়বে সাধারণ মানুষেরই।’ কেন্দ্রের বাজেট কোনও ভাবেই তরুণদের কর্মসংস্থানের কোনও দিশা দেখাতে পারেনি বলে দাবি করেন পার্থ। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ‘তপশিলী জাতি-উপজাতি ও আদিবাসীদের উন্নয়নেরও কোনও দিশাও পাওয়া যায়নি।’

অনুযোগের সুরে পার্থকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘সেস বৃদ্ধি করে যে অর্থ কেন্দ্র নিয়ে যাচ্ছে, তার ছিঁটেফোটাও রাজ্যকে দিচ্ছে না।’ আয়করের হার অপরিবর্তিত রাখার কারণেও কেন্দ্রের সমালোচনা করেন তিনি। মেট্রোরেলের জন্য নয়া কোনও ঘোষণা না থাকার কারণে রাজ্যের মানুষ হতাশ বলে দাবি করেন পার্থ।

অন্যদিকে বাজেট নিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতোই কেন্দ্রের বিরোধীতা করলেন যাদবপুরের বাম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী। তাঁর কথায়, ‘কর্মসংস্থানের প্রতি কেন্দ্রের এই বাজেটে কোনও নির্দিষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না। এই বাজেটের সবচেয়ে নেতিবাচক দিক হল, বেসরকারিকরণ অর্থাৎ ব্যক্তি মালিকানার দিকে ঝোঁক বাড়ানো হচ্ছে। এটা যে পুঁজিপতিদের বিকশিত করার প্রচেষ্টা, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এতে আদতে মানুষের কোনও লাভ হল না।’ পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে তাঁর ব্যাখ্যা, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোলের দাম কমলেও আমাদের এখানে বাড়ে। এমন একটা ব্যাপার, যেন বুঝতেও দেব না অথচ ট্যাক্স নিয়ে চলে যাব। আর এর ফলে সাধারণ জিনিসের দাম বাড়বে ও সাধারণ মানুষ কষ্ট পাবে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here