ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্বে রাজ্যজুড়ে ছড়িয়েছিল ব্যাপক অশান্তি। জেলায় জেলায় দেখা গিয়েছিল সন্ত্রাসের ছবি। ভোটগ্রহণের দিনও দেখা মিলল একই ছবির পুনরাবৃত্তি। সন্ত্রাসের ফলে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৯ জনের। দল নির্বিশেষে মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে সামিল রয়েছেন তৃণমূল, সিপিএম ও বিজেপির কর্মী। কিন্তু সন্ত্রাসের এই ছবিকেও আমল দিতে নারাজ তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ভোট চলাকালীনই সাংবাদিক সম্মেলন করে জেলা জেলায় সন্ত্রাসের ঘটনাকে ‘নগণ্য’ বলে আখ্যা দেন তিনি। অন্যদিকে, বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনকে রীতিমতো তুলোধোনা করেন এদিন।

তৃণমূলের তরফে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে পার্থবাবু বলেন, ”রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে যা হয়েছে তা একেবারেই নগণ্য। কিছু কিছু জায়গায় যেমন ভাঙড়ে গোলমাল হয়েছে। তা আরাবুলের দলই করেছে। কিন্তু আরাবুল এখন পুলিশের হেফাজতে। প্রশাসন শক্ত হাতে মোকাবিলা করছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে কারা করছে এসব।”

পার্থবাবু অল্পের উপর দিয়ে বক্তব্য রাখলেও এদিন তৃণমূল কংগ্রেসকে ফ্রন্টফুটে আক্রমণ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ভোটের আগের দিন থেকেই ছাপ্পা ভোট দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে উঠে আসে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের বিজেপি কর্মীকে চড় মারার প্রসঙ্গও। দিলীপবাবু বলেন, ‘এই নিয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। তাঁর (রবীন্দ্রনাথ ঘোষ) অপসারণের দাবি করছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সততা থাকলে রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে বরখাস্ত করুন।” উত্তরবঙ্গের উন্নয়নমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে দিলীপ আরও বলেন, ”ওনার নিজের গুণ্ডাদের উপর ভরসা নেই। তাই নিজে বুথে ঢুকে বিজেপি এজেন্টদের চড় মারছেন। এটা গণতন্ত্রের কলঙ্ক। এনারা সাধারণ সৌজন্য জানেন না।”

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here