নিজস্ব প্রতিবেদক, বারাসাত: সরকারী হাসপাতাল মানেই ভুরি ভুরি অভিযোগ। সেই ছবি এবার ধরা পড়লো উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসত সদর মহকুমার অশোকনগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, জেলার বনগাঁ মহকুমার গাইঘাটা থানার চাঁদপাড়া ফুলশরা থেকে নিতাই মন্ডল(৫৪) তার ছেলে মিলন মন্ডলের কাছে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন গত ১৮ জুলাই। সঙ্গে সঙ্গে তাকে অশোকনগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের ডাক্তার তার কিছু শারিরীক পরীক্ষা করতে বলে এবং নিতাই মন্ডলকে ওই হাসপাতালে ভর্তি নিয়ে নেন। পরের দিন অর্থাৎ ১৯ তারিখ ডাক্তাররা মিলনবাবুকে জানায় তার বাবার হার্টের অসুবিধে আছে এবং রক্তাল্পতা আছে। তাই আগে রক্ত দেওয়া প্রয়োজন। সেই মতো পরের দিন বারাসাত থেকে রক্ত নিয়ে আসা হয় এবং নিতাইবাবুর চিকিৎসা শুরু করে হাসপাতাল।

২২ তারিখ সকালে হাসপাতাল থেকে মিলন মন্ডলকে ফোন করে জানানো হয় যে তার বাবাকে হাসপাতালে পাওয়া যাচ্ছেনা। যদি তিনি বাড়িতে চলে গিয়ে থাকেন তাহলে আর তাকে হাসপাতালে আনতে হবে না। পরিবারের যে কেউ হাসপাতালে এসে সই করে গেলেই হবে। ঘটনার কথা শোনা মাত্রই মিলনবাবু হাসপাতালে ছুটে আসেন এবং কর্তব্যরত আয়া, নার্স ও ডাক্তারকে তার বাবার কথা জিঙ্গাসা করলেও কারোর কাছ থেকেই কোন সদুত্তর পাননি। হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে দেখা করলে তিনিও দায় এড়িয়ে যান বলে মিলনবাবুর অভিযোগ। তারপর তিনি তাদের সমস্ত আত্মীয় বন্ধুবান্ধবের বাড়িতে খোঁজ নিতে শুরু করলেও নিতাই মন্ডলের খৌঁজ ম