ডেস্ক: বিগত কয়েক দিনে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম যেভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে তাতে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে সাধারণ মানুষের। এমতবস্থায় চাপ বাড়ছে কেন্দ্রীয় সরকারের উপরও। মঙ্গলবার বাণিজ্য নগরী মুম্বইতে পেট্রোলের দাম ছিল ৮৫ ছুঁইছুঁই। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে কবে যে তা ১০০ ছুঁয়ে ফেলবে এই নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন সকলেই। গোদের উপর বিষফোঁড়ার স্বরূপ আবার ১ জুন থেকে দেশব্যাপী পেট্রোল ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তেল পাম্পের মালিকরা।

চাপ টের পেয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়েছেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। জানা গিয়েছে, আজ সন্ধ্যেবেলাই তেল কোম্পানিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি। আশা করা হচ্ছে এই বৈঠকের পরই খুশির খবর দিতে পারে কেন্দ্র। সরকারের তরফে যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও ইতিবাচক সংকেত দেওয়া হয়নি। কিন্তু কীভাবে জনসাধারণকে এই চাপ থেকে মুক্ত করা হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।

দিন কয়েক আগেই কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী বলেছিলেন, ”এই দাম বাড়ার জন্য ভারতের মধ্যবিত্তরা সবথেকে বেশি সংকটে পড়ছে। সরকার খুব শিগগিরি এই সংকট মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেবে।” আশ্চর্যজনক ভাবে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীর এই বয়ানের ৯ দিন পর টানা দাম বেড়েছে পেট্রোল-ডিজেলের। বলে রাখা ভাল, মঙ্গলবার দিল্লিতে পেট্রোলের দাম ছিল ৭৬.৮৭ টাকা। অন্যদিকে, মুম্বইতে এর দাম ছিল ৮৪.৭০ টাকা। কলাকাতায় আজ পেট্রোলের দাম প্রায় ৮০ ছুঁইছুঁই। পেট্রোলের দাম বাড়া নিয়ে এই কদিন কেন্দ্রীয় সরকারও ছিল নিশ্চুপ। তবে শেষ পর্যন্ত চাপ টের পেয়ে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিলেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here