kolkata news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: তিনি ভোট গুরু। তাঁর সান্নিধ্যে এলে যাত্রাপথ যতই কঠোর হোক না কেন অভিজ্ঞতা ও বুদ্ধিমত্তাকে হাতিয়ার করে ধীর পায়ে সাফল্যের চুড়ায় পৌঁছে যায় যে কেউ। তাই ভারত জুড়ে তাঁর চাহিদা। তাই বিজেপিকে মাত করতে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি এবার দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের হাতে হাত রেখেছেন ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোর। ফলস্বরূপ আহ্লাদে আটখানা হয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল সহ আপের বাকি নেতারা। খুশি উচ্ছ্বাস এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীষ সিসোদিয়া তো বলেই দিলেন, ‘আবকি বার ৬৭ পার’।

শনিবার প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আই-প্যাকের তরফে টুইট করে জানিয়ে দেওয়া হয়, ‘পঞ্জাবের ফলাফলের পর আমরা মনে করি আপনি একমাত্র কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী। আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমরা খুশি হব অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও মণীষ সিসোদিয়া।’ এই টুইটটিকে রিটুইট করে কেজরিওয়াল লেখেন, ‘এই খবর দিতে গিয়ে আমাদের খুশি হচ্ছে যে আই-প্যাক আমাদের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে। আপনাদের আমরা স্বাগত জানাচ্ছি আপের টিমে।’ মুখ্যমন্ত্রী যত না খুশি তাঁর চেয়ে আরও ১০ গুণ খুশি হন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীষ সিসোদিয়া। খুশির জোয়ারে বিজেপির স্লোগানকেই হাতিয়ার করেন তিনি, আই-প্যাকের টুইটকে রিটুইট করে তিনি লেখেন, ‘আবকি বার ৬৭ পার’। সিসোদিয়ায় এহেন স্লোগানে রাজনৈতিক মহলের দাবি কিশোরকে হাতের কাছে পেয়ে নিশ্চিতভাবেই আশা অনেক বেড়ে গিয়েছে দিল্লির শাসকদলের।

উল্লেখ্য, জাতীয় রাজনীতিতে বিগত কয়েক বছরে রাজনৈতিক দলগুলির কাছে জনপ্রিয়তার শিখরে উঠেছে প্রশান্ত কিশোর। একেবারে শুরুতে ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী করার পিছনে অন্যতম ভূমিকা ছিল প্রশান্ত কিশোরের। এরপর একে একে বিহারের জেডিইউ, অন্ধ্রপ্রদেশের ওয়াইএসআর কংগ্রেস, বাংলার তৃণমূলের মতো একের পর এক দলের ডাক আসছে প্রশান্ত কিশোরের কাছে। সেই ধাঁচে এবার দিল্লি থেকে বিজেপিকে চুরমার করে দিতে প্রশান্ত কিশোর যোগ দিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে। প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে একটা আসনও জোটেনি আপের। এহেন পরিস্থিতিতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন রীতিমতো চাপের ছিল কেজরির কাছে। সেখান থেকে অবশ্য কিছুটা স্বস্তি পেলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here