pic-kolkata bengali news

ডেস্ক: দুই দেশের সীমান্তের উত্তাপ যথেষ্ট, কিন্তু কূটনৈতিক স্তরে ভারসাম্য রক্ষা করতে দুদিনের চিন সফরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিংপিং-এর সঙ্গে এই দুদিনে কয়েক দফা বৈঠক করবেন তিনি। চিন পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং বৃদ্ধির পথে সহায়ক হবে এই সফর।

চিনের রাষ্ট্রপতি জিংপিংকে মোদী এদিন বলেন, ”ভারতের মানুষ গর্বিত। কারণ আমি হলাম প্রথম প্রধানমন্ত্রী যাকে নিয়ে যেতে আপনি রাজধানির বাইরে এসেছেন।” ২০১৯-এ ভারতে শিংপিংকে আসতেও অনুরোধ জানান তিনি। প্রসঙ্গত, চিন এবং ভারতের মোট জনসংখ্যাই বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ। এই প্রসঙ্গে মোদী জিংপিংকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিশ্বের ৪০ শতাংশ জনসংখ্যার জন্য কাজ করার দায়িত্বই আমাদের দুজনের উপর। যার অর্থ, পৃথিবীর সিংহভাগ মুশকিল আসানের কাজ আমাদের দায়িত্ব। এই গুরুভার আমাদের কাধেই তুলে নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি জিংপিং। তিনি বলেন, ‘বাণিজ্যিক উন্নয়ন এবং শান্তি রক্ষার জন্য দুই দেশকে আরও বেশি করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। আমার মনে হয় ভবিষ্যতেও আমরা এই ধরণের ফলপ্রসু সাক্ষাত আরও বেশি করে করতে পারব।’ এদিনের সাক্ষাত ভারতের জন্যও ইতিবাচক হতে পারে বলে মনে করছেন কূটনীতিবিদরা। সীমান্তে অশান্ত পরিস্থিতির মাঝেও দুই রাষ্ট্রনেতার করমর্দন বান্ধবসুলভ আচরণ এবং করমর্দন দুই দেশের জন্যই ইতিবাচক সংকেত বহন করে আনতে পারে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here