kolkata news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে একের পর এক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে সরকার। কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতে বলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল। যেখানে গত কয়েক দিনে বিশাল অংকের টাকাও জমা পড়েছে দেশ তথা বিদেশ থেকে। এরই মাঝে জানা গেল প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে এই বিপুল অঙ্কের টাকার অডিট করতে পারবে না সরকারি সংস্থা ক্যাগ(CAG)। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি সূত্রে জানা গেল এমনটাই।

সিবিআই সূত্র মারফত এনডিটিভিতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল ব্যক্তি ও সংস্থার দানের উপর নির্ভরশীল। এই ধরনের কোনও তহবিলের অডিট সরকারি সংস্থা করতে পারে না। উল্লেখ্য গত 24 শে মার্চ সমস্ত ক্যাবিনেট মিনিস্টার কে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে অনুরোধ করেন এই তহবিলে করোনা মোকাবিলার জন্য অর্থ সাহায্যের। এদিন শুক্রবার পিএমকে আর তহবিলের অডিট প্রসঙ্গে ক্যাগ-এর বরিষ্ঠ এক আধিকারিক জানান, ‘যতক্ষণ না আমাদের কাছে নির্দেশ আসছে এই তহবিলের অডিট করার জন্য ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা অডিট করতে পারি না।’ পাশাপাশি সরকারি সূত্রের দাবি, ট্রাস্টি দ্বারা নিযুক্ত কোন স্বাধীন সংস্থা এই প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অডিট করতে সক্ষম।

প্রসঙ্গত দেশের প্রধানমন্ত্রী সহ সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের আরজি ছিলনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থ সাহায্যের জন্য তবে একাধিক জায়গা থেকে প্রশ্নও উঠেছিল যেখানে ১৯৪৮ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল রয়েছে সেখানে নতুন করে এই তহবিলের কি প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, দীর্ঘ বছর ধরে অতীতের ওই ত্রাণ তহবিলে বহু কোটি টাকা জমে রয়েছে সরকারি খাতায় প্রয়োজনে সে অর্থ ব্যবহার করতেই পারে সরকার। তা না করে নতুন করে ত্রাণ তহবিল খোলার আদৌ কি কোন প্রয়োজন রয়েছে? পাশাপাশি যেখানে রাজ্যভিত্তিক ত্রাণ তহবিল খোলা রয়েছে সেখানে কেন্দ্রীয় তহবিলের প্রয়োজনীয় প্রশ্ন তুলেছিল একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এহেন সময়ই এবার সূত্র মারফত জানা গেল করোনা পরিস্থিতি তৈরি করা এই ত্রাণ তহবিলের অডিট করতে পারবে না কোন সরকারি সংস্থা। যার অর্থ, এই তহবিলে কত টাকা জমা পড়েছে এবং কি কি ক্ষেত্রে সেই টাকা ব্যবহৃত হয়েছে সে তথ্য প্রকাশ্যে নাও আসতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here