পামেলা দাস: পার্বণ তো উপলক্ষ্য মাত্র। আসল উদ্দেশ্য তো পেট পুজো, থুড়ি খ্যাটন। বাংলা ঘরানার যে কোনও পার্বণেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমিষ-নিরামিষের বাহানায় চলে খাদ্য উৎসব। আর বৈশাখী পার্বণের সকালে ঘুম থেকে উঠেই যদি লুচির জন্য প্রাণ কেঁদে ওঠে! চাপ না নিয়ে সাঁটিয়ে নিন খান কয়েক। ভোজনে আবেগ সংবরণ করা পাপ। বছরের প্রথম দিনে ডায়েটের তর্জনি নয়, চোখ বন্ধ করে একটু পাশ কাটিয়ে গেলেন, মানে যাকে বলে স্রেফ অ্যাভয়েড ডায়েট রুলস৷

বানাবেন কীভাবে?

ছোলার ডাল ৪-৫ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। ভেজানো ছোলার ডাল প্রেসার কুকারে ২-৩ টে সিটি দিয়ে আলাদা করে রাখুন। ডাল সেদ্ধ করার সময় একটা-দুটো চিরে রাখা কাঁচা লঙ্কাও দিতে পারেন। কড়াইতে ২ টেবিলচামচ সাদা তেল গরম করুন। কাজুবাদাম, কিসমিস, কুচো করে কাটা হাফ কাপ নারকেলের টুকরো ভেজে আলাদা পাত্রে তুলে রাখুন। তেজপাতা, সাদা জিরা, শুকনো লঙ্কা, হিং ফোড়ন দিন। সুগন্ধ বেরোলে তাতে আদা বাটা দিন। ভাজা আদার সুগন্ধ বেরোলে তাতে এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ো দিন। একটু নাড়িয়ে তাতে জল সমেত সিদ্ধ ছোলার ডাল দিয়ে দিন। আন্দাজ মতো নুন দিন। এক কাপ কোড়ানো নারকেল মেশান। ৫ মিনিট ঢাকা দিয়ে ফুটতে দিন। ২ টেবিলচামচ চিনি দিয়ে স্বাদ চেখে নিন। ছোলার ডালে একটু মিঠা স্বাদই দস্তুর। স্বাদও খোলতাই হয়। তাই যদি ২ টেবিলচামচের বেশি মিষ্টি লাগে, তো আরও খানিকটা চিনি মেশান। হয়ে আসলে এক টেবিলচামচ ঘি, ভাজা কাজুবাদাম, কিসমিস, নারকেল কুচো দিয়ে নাড়িয়ে ঢাকা দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। লুচির সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here