kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ভাঙড়: লকডাউন চলাকালীন পুলিশের লাঠিচার্জ আহত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে হাওড়ার সাঁকরাইলে।যদিও লাঠিচার্জের ফলে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠছে, তা অস্বীকার করেছে হাওড়া সিটি পুলিশ। পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে, ওই যুবকের হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত যুবকের বাড়ির লোকের দাবি, পুলিশের লাঠির আঘাতে জখম হয়ে মৃত্যু হয়েছে। মানুষকে বাগে আনতে কোথাও কোথাও পুলিশ অতিসক্রিয় হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। যা নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসন্তুষ্ট। তিনি পুলিশকে নির্দেশ দেন, নিরীহ মানুষ যাতে আক্রান্ত না হন তা দেখতে।

বুধবার লকডাউনের প্রথম দিন গোটা দেশের পাশাপাশি এই এই রাজ্যেও পুলিশ সক্রিয় ছিল। কোথাও জমায়েত দেখলে পুলিশ সবাইকে বাড়ি যাওয়ার অনুরোধ করে। অনেক জায়গায় পুলিশের সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে চলতে থাকে জমায়েত। ফলে পুলিশ একপ্রকার বাধ্য হয়ে কিছু জায়গায় লাঠিচার্জ করে। এদিন এমন ঘটনার ছবি উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ- সব জায়গায় দেখা গিয়েছে। পুলিশের এমন সক্রিয়তার মধ্যেও বেয়াদব কিছু জনগণ তারপরও মোড়ে মোড়ে জটলা করেছে।

লকডাউনের প্রথম দিন গোটা রাজ্যে ছিল এমনই ছবি। বাকি দিনগুলোতে বেয়াদব জনগণকে বাগে আনতে পুলিশকে আরও কঠোর হতে হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কিন্তু, তাঁর মধ্যে পুলিশের ভূমিকা বদলে গেল। ‘সক্রিয়’ পুলিশ বৃহস্পতিবার থেকে অনেকটাই নরম হয়েছে। লকডাউন না  মেনে পথে বের হওয়া লোকজনকে ‘বাবা-বাছা’ বোঝাচ্ছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, পথে বের হওয়া লোকজনকে বাড়িমুখো করতে হাতজোড় করতে হচ্ছে পুলিশকে। এদিন সকালে সেই ছবি দেখা গেল ভাঙড়ের পোলেরহাটে। পুলিশকে দু’হাত জোড় করে বলতে শোনা যায়, দয়া করে আপনারা বিনা কারণে রাস্তায় বের হবেন না। যদি একান্তই বের হতে হয়, তা হলে অন্তত মাস্ক পরে বের হন। পুলিশের এই নরম মনোভাবে রাস্তায় বাড়ছে জটলা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here