kolkata bengali news

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিউড়ি: নানুরে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় সোচ্চার হয়ে জেলা পুলিশের কার্যালয়ের সামনেই সপ্তাহব্যাপী ধর্নায় বসেছিল জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। সেই ধর্নামঞ্চ থেকেই চলছিল জেলা পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি তৃণমূল নেতৃত্বের প্রতি হুমকি ধমকি প্রদর্শন। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক বাধতে বেশি সময় লাগেনি। যে ভাষায় ও ঔদ্ধত্যের সঙ্গে সেই আক্রমণ চালানো হচ্ছিল তার জেরে খোদ গেরুয়া শিবিরের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছিল, এই ধরনের বাক্যবাণের জেরে দলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সাধারন মানুষের মধ্যে না প্রশ্ন ওঠে। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব এই বিষয়ে কোন পদক্ষেপ না নিলেও এবার বিষয়টি নিয়ে নড়ে চলে বসল বীরভূম জেলা পুলিশ প্রশাসন। সুত্রের খবর, নবান্নের থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশ যাওয়ার পরেই শনিবার সকালে সিউড়িতে জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সামনে থেকে বিজেপির ধর্না তুলে দেয় জেলা পুলিশ প্রশাসন।

জানা গিয়েছে, বিজেপির এই ধর্না রবিবার রাতে শেষ হওয়ার কথা ছিল। সেই হিসাবে শনিবার তাদের ধর্না ষষ্ঠ দিনে পড়েছিল। এদিনই এই ধর্নায় বিজেপির সহ-সভাপতি ভারতী ঘোষের এবং আগামীকাল মুকুল রায়ের অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু এদিন সকালেই জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুবিমাল পাল এবং ম্যাজিস্ট্রেট শুভঙ্কর ভট্টাচার্য এই ধরনা তুলতে হাজির হন। সেই সময় বিজেপির এই ধর্নামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল সহ জেলার নেতারা। পুলিশ ধর্না তুলতে উদ্যোগী হতেই সেখানে উপস্থিত বিজেপি কর্মীরা তাদের বাধা দিতে তৈরি হয়। তার জেরে সাময়িক ভাবে হলেও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। যদিও শতাধিক বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে ওই ধর্না তুলে দেয়।

পরে জেলা বিজেপি নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়, পুলিশ তাদের ধর্না তুলে দিলেও নানুরে তাদের কর্মী স্বরূপ গরাই এবং লাভপুরের বিজেপি কর্মী ডালু শেখের প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। এদিন ধর্না তুলে দেওয়ার পরেও ভারতী ঘোষ সিউড়িতে আসবেন কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে জেলা পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে বিষয়টি নজর রাখা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here