ডেস্ক: অমৃতসরের মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনার পর উঠে আসছে নানা প্রশ্ন। কার গাফিলতি ছিল সেটাই হয়েছে এখন মূল বিষয়। রেললাইনের ধারে দশেরা উৎসবে সামিল হওয়া মানুষের দোষ নাকি, প্রশাসনিক অদক্ষতা কিংবা রেলের গাফিলতি, সবমিলিয়ে বেশ জটিল পরিস্থিতি এখন পঞ্জাবে। রেলের গাফিলতির প্রসঙ্গে রেল প্রতিমন্ত্রী মনোজ সিনহা দাবি করেছেন, রেলের তরফ থেকে কোনও ত্রুটি নেই, তাই কাউকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রেলের তরফ থেকে কোনও তদন্তেরও প্রয়োজন নেই। ট্রেনের গতি একটা নির্দিষ্ট সীমায় বাঁধা ছিল। ঘটনাস্থলে রেল লাইনে বাঁক থাকায় এবং অন্ধকারেরর জন্য আগাম বিপদ বুঝতে পারেননি ট্রেনের চালক। এই মন্তব্যের পর কৌতুহল আরও বেড়ে যাওয়ার মধ্যেই চাঞ্চল্যকর খবর সামনে এসেছে।

অভিযোগ উঠেছিল, আয়োজকরা বিনা অনুমতিতেই ওই জায়গায় অনুষ্ঠান করছিলেন। কিন্তু এই প্রসঙ্গে দুটি চিঠি সামনে এসেছে। চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, উদ্যোক্তারা অনুষ্ঠানের জন্য পুলিশের অনুমতি চান এবং পুলিশ সেই অনুমতিও দেয়। নিরাপত্তা প্রদানের কথাও উল্লেখ করা থাকে চিঠিতে। যার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট দেয় উদ্যোক্তাদের।

জানা যাচ্ছে, চিঠিতে সই করেন আয়োজক কমিটির সভাপতি। এরপর ১৭ অক্টোবর মোহকামপুরা থানারর তরফে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়, শান্তিপূর্ণভাবে দশেরা আয়োজন করতে হবে। পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টার মধ্যেই শব্দবাজি পোড়াতে হবে। এছাড়াও চিঠিতে ২০,০০০ লোকের জমায়েত হতে পারে এমন কথাও উল্লেখ করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here