ডেস্ক: মুম্বইয়ের হিরে ব্যবসায়ী খুনের নয়া মোড়। পুলিশি তদন্তে অবশেষে কাটল ধোঁয়াশা। গত ২৮ নভেম্বরই থেকেই নিখোঁজ ছিলেন রাজেশ্বর উড়ানি। অবশেষে ১০ দিন পর তার পচা গলা দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় প্রথম থেকেই পুলিশের সন্দেহের তির ছিল মাহারাষ্ট্রের মন্ত্রী প্রকাশ মেহতার প্রাক্তন সহযোগী সচিন পাওয়ারের নাম। সন্দেহের বশে তাকে পুলিশ গ্রেফতারও করে। এবার তদন্তে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সচিন ঘটনার দিন আই-১০ গাড়িতে করে একটি উচ্চাকাঙ্খী মডেলকে উড়ানির কাছে পাঠিয়েছিল। সেই গাড়িটিকে সোমবারই পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এই মডেলটিই এখন ব্যবসায়ী খুনের একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী। তাকে ইতিমধ্যেই জেরা করা শুরু হয়েছে। পুলিশি জেরার মুখে ওই মডেল জানিয়েছে, ঘটনার দিন সচিন পাওয়ার একটি পার্টির আয়োজন করেছিল। সেই পার্টিতেই রাজেশ্বর উরানিকে ফাঁদে ফেলতে ওই মডেলকে একটি কেক দিয়ে পাঠানো হয়। সেই পার্টি থেকেই মদ্যপ অবস্থায় মডলটির সঙ্গে গাড়িতে ওঠেন উড়ানি। এরপর মডেলটিই ব্যবসায়ীকে খুন করে এবং গাড়িতে চাপিয়ে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ফেলে দেয়। পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়ার জন্য তার মুখে কেকটি মাখিয়ে দেয় ওই মডেল। তবে ঠিক কী কারণে ওই ব্যবসায়ীকে খুন করা হল? পুলিশকে সচিন জানিয়ছে, রাজেশ্বর তার বহুদিনের পুরনো প্রেমিক দেবলীনার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছিল। সেই প্রতিহিংসা পরায়ণ মনোভাব থেকেই ব্যবসায়ীকে খুন করার ছক করে সচিন পাওয়ার।

অন্যদিকে পুলিশি তদন্তে জাজ্জজনা গিয়েছে, দুজনরই অর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িত। সচিন পাওয়ার এবং রাজেশ্বর উড়ানি তিন কোটি টাকার লোন নিয়ে একটি ব্যবসা শুরু করেছিল। যা পরবর্তীকালে দুজনের কেউই ব্যাঙ্কে শোধ করেননি। এই মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে মোবাইলের ম্যাসেজ চেক করে এই সমস্ত উদ্ধার করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here