রক্ষকই ভক্ষক! বাড়িতে পৌঁছানোর নাম করে গণধর্ষণ নাবালিকাকে, অভিযুক্ত কনস্টেবল

0
kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: রোজই খবরের শিরোনামে উঠে আসছে দেশের কোনও না কোনও জায়গার ধর্ষণের খবর৷ হায়দরাবাদ, তেলেঙ্গানা, উত্তরপ্রদেশ, কলকাতা, রাজস্থান, তামিলনাড়ু৷ পৈশাচিক একের পর এক ঘটনার জেরে রীতিমত নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ প্রশাসন৷ মহিলাদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়৷ কিন্তু এই রক্ষকই যদি ভক্ষক হয় তাহলে? এমনই নির্লজ্জ ঘটনার এবার সাক্ষী হতে হল ওড়িশাকে৷ ওড়িশার পুরিতে ঝাদেশ্বরী মন্দিরের কাছে সরকারী আবাসনে এক নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক পুলিশ কনস্টেবল ও তার দুই সঙ্গীর বিরুদ্ধে৷

সূত্রের খবর, নাবালিকা নিমপাড়া এলাকায় বাসস্টান্ডে বাস আসার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল৷ সেইসময় ওই কনস্টেবল নিজের পরিচয় দিয়ে তাকে সহযোগীতা করার আশ্বাস দেয়৷ তাকে পুলিশ কনস্টেবল ভরসা জোগায় যে সে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেবে৷ মেয়েটিও সেইমত তাকে বিশ্বাস করে৷ অভিযোগ, এরপরই তাকে গাড়ি করে নিজের আবাসনে নিয়ে আসে ওই কনস্টেবল৷ পুলিশ কনস্টেবল ও তার তিন সাঙ্গপাঙ্গ মিলে তার ওর যৌন নির্যাতন চালায়৷ মেয়েটিকে গাড়িতে লিফ্ট দেওয়ার সময় বাকী তিন জন ওই গাড়িতে উপস্থিত ছিল বলে জানিয়েছে নির্যাতিতা৷ সে আরও জানায় ককটপুর গ্রামে তার বাড়িতে তাকে পৌঁছে দেওয়ার বদলে পুরীতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে৷

নাবালিকার ওপর নির্যাতন চালানোর সময় একজনের মানিব্যাগটি নিয়ে তা লুকিয়ে রাখে সে৷ থানায় অভিযোগ দায়ের করতে এসে নাবালিকা তা জমা দেয় পুলিশের কাছে৷ ওই মানিব্যাগটি থেকে অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবলের ছবি, আধার কার্ড, পরিচয় পত্র উদ্ধার হয়৷ যা দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে ফেলে পুলিশ৷ এরপরই তাকে গ্রেফতার করে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে৷ পুরির এসপি উমা শঙ্কর দাস জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্তের জন্য দুটি বিশেষ স্কোয়াড গঠন করা হয়েছে৷ বাকীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ৷

রাস্তাঘাটে বিপদে পড়লে সাহায্যে হাত বাড়িয়ে দেয় পুলিশই৷ কিন্তু সরষের মধ্যেই যদি ভূত লুকিয়ে থাকে তখন এর থেকে লজ্জাজনক আর কিছু হতে পারে না৷ সেটাই এবার প্রমাণ করে দিল ওড়িশার এই গণধর্ষণকাণ্ড৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here