ডেস্ক: একদিকে জেল ফেরত বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী ইয়েদুরাপ্পা। অন্যদিকে ৫ বছর শাসনের পর ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি সিদ্দারামাইয়া। সকাল থেকেই জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। ২২৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ২২২টি আসনে চলছে ভোটগ্রহণ পর্ব। শেষ পাওয়া খবরে সকাল ৯টা পর্যন্ত ১০ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট বেশি ভোট পড়েছে। নির্বাচনে ভোটদাতার সংখ্যা প্রায় ৫ কোটির কাছাকাছি।

দুটি আসনে ভোটগ্রহণ বন্ধ রয়েছে। একটি আসনে বিজেপি প্রার্থী বি এন বিজয়কুমারের আকস্মিক মৃত্যুর কারণে ও আর আর নগর আসনে কয়েক হাজার জাল ভোটার কার্ড উদ্ধার হওয়ার কারণে। এই দুটি আসনে ২৮ মে ভোটগ্রহণ করা হবে এবং ৩১ মে ফলপ্রকাশ হবে। বাকি ২২২টি আসনের ফলপ্রকাশ ১৫ মে নিশ্চিত করা হয়েছে। ভোটপূর্ব সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, কংগ্রেস অল্প কিছু আসনে এগিয়ে রইলেও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়ার দল জেডি(এস) এই নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ‘রোল প্লে’ করবে। ফলে ত্রিশঙ্কু সরকার গঠনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না দক্ষিণের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

এদিন সাধারণ মানুষের সঙ্গেই লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী ইয়েদুরাপ্পা। প্রচারের শুরু থেকেই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নানা ইস্যুতে একরোখা আক্রমণ করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অন্যদিকে, কংগ্রেসের অভিযোগ, দুর্নীতিতে অভিযুক্ত নেতারাই বিজেপির প্রথম সারিতে রয়েছেন। এর প্রধান কারণ অবশ্য বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী ইয়েদুরাপ্পা। জেলের হাওয়া বেশকয়েক দিন খেয়ে এসেছেন তিনি। অন্যদিকে, ৩৫ হাজার কোটি টাকার খনি কেলেঙ্কারিতে যুক্ত রেড্ডি ব্রাদার্সের সঙ্গে মোদীর একমঞ্চে সহাবস্থান করেছেন মোদী। সবমিলিয়ে ভোটপূর্বে কর্ণাটকে সাংঘাতিক রকমের উত্তাপ দেখা গিয়েছিল। এখন ১৫ মে ভোটের ফলপ্রকাশের দিকেই তাকিয়ে গোটা ভারত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here