সৌরভ দাস: ১৯৪৭ সালে ১৪ই অগাস্ট মধ্যরাতে ভারতবর্ষ দুশো বছরের পরাধীনতা থেকে মুক্ত হয়েছিল। সে কথা বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেরই জানা। কিন্তু এসবের মাঝেও বার বার একটি প্রশ্ন সকল ভারতবাসীর মুখে মুখে আজও ঘুরে বেড়ায়, ‘কাশ্মীর তুমি কার’? সত্যিই তো কখনও ভেবে দেখেছেন যে কাশ্মীরের জন্য সেনা জওয়ান ঔরঙ্গজেব বা সুজাত ভুখারিকে মৃত্যুবরণ করতে হল, বা প্রায় প্রতিদিনই প্রায় ভারত মায়ের বীর সন্তানদের মৃত্যুবরণ করতে হয়, সেই কাশ্মীরের ইতিহাসটা আসলে কী?

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এই ‘কাশ্মীর’ নিয়ে বিবাদ চলছে স্বাধীনতার পর থেকেই। ভারতের থেকে পাকিস্তান স্বাধীনতা পেয়েছিল কয়েক ঘণ্টা আগেই। এবং সেই প্রথম দিন থেকেই বিবাদ এর সূত্রপাত, কারণ ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স অ্যাক্ট অনুযায়ী ‘কাশ্মীর’ ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের কাছেই সমানভাবে গ্রহণযোগ্য ছিল। অর্থাৎ কাশ্মীরের তৎকালীন রাজা হরি সিংকে বেছে নিতে হত তিনি কোন দেশের সঙ্গে কাশ্মীরকে যুক্ত করতে চান। তিনি ভারতকেই বেছে নিয়েছিলেন। তখন থেকেই কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে যুক্ত হয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৬৫-১৯৯৯ সালের মধ্যে বারবার ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে বিবাদ হয়ে এসেছে।

এখান থেকেই নুতন প্রশ্নের সূত্রপাত হয়, কাশ্মীর যদি ভারতের অংশ হয় তবে কাশ্মীর কেন বারবার সংবাদ শিরোনামে চলে আসে? পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন গুলির দ্বারা কাশ্মীরের বেশিরভাগ মানুষই প্রভাবিত, এবং এটিই হল ভারতের মধ্যে এমন একটি রাজ্য যার জনসংখ্যার প্রায় %