news kolkata bengali
Highlights

  • বুধবার দুপুর দুটো নাগাদ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট জমা পড়ে
  • হাইকোর্ট সূত্রে খবর, রাজ কুমার সাহুর মৃত্যু পুলিশি হেফাজতেই হয়েছিল
  • চলতি সপ্তাহে মামলার পরবর্তী শুনানি

মহানগর ওয়েবডেস্ক: গত ১১ ই ফেব্রুয়ারি একটি চুরির কিনারা করতে গিয়ে সিটি থানার তদন্তকারী আধিকারিকরা পাইক পাড়ার বাসিন্দা রাজকুমারকে তুলে নিয়ে আসে। পাশাপাশি এই চুরির ঘটনার মূল সাক্ষী আশুরা বিবি কেও থানায় নিয়ে আসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। আশুরা বিবি অভিযোগ করেন, থানার তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা ভয় দেখিয়েছেন ইলেকট্রিক শক দেবেন বলে এবং রাজকুমারকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঘটনার আশুরা বিবি মত বদল করে বলেন, রাজকুমার ওপর শারীরিক নির্যাতন করেনি পুলিশ।

রাজকুমার সাহেবের পরিবারের অভিযোগ, তাকে তুলে এনে সিটি থানার তদন্তকারী আধিকারিকরা তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালান এবং ইলেকট্রিক শক দেয় বলেও অভিযোগ। আরও অভিযোগ, সেই কারণেই রাজকুমার তা সহ্য করতে না পেরে মারা যান। ঘটনার দিন রাতে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায় সিটি থানার সামনে।

রাজকুমার বাবুর পরিবারের অভিযোগ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এবং তার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার জন্যই থানার তদন্তকারী আধিকারিকরা তার ওপর অত্যাচার চালিয়েছিল এবং সেই কারণেই রাজকুমার মারা গিয়েছে।

ঘটনার ৩ দিন বাদে লালবাজার শাখা তদন্ত শুরু করে এবং সেই তদন্তে তিনজন পুলিশ আধিকারিক বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়। তিনজন অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়।

এই ঘটনার জল গড়িয়ে যায় কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সুব্রামানিয়াম ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সিঁথি থানা কাণ্ডে রাজকুমারের ময়নাতদন্ত ভিডিওগ্রাফি করার নির্দেশ দেন পাশাপাশি ৩ অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং পুরো ঘটনাটি যাতে ভিডিওগ্রাফি করা হয় সেই নির্দেশ দিয়েছিল ডিভিশন বেঞ্চ।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ ছিল। হাইকোর্টের বুধবার দুপুর দুটো নাগাদ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট জমা পড়ে কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্ট সূত্রে খবর, রাজ কুমার সাহু এর মৃত্যু পুলিশি হেফাজতেই হয়েছিল এবং তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। চলতি সপ্তাহে মামলার পরবর্তী শুনানি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here