kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক:  ন্যাশনাল কংগ্রেস সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারের পাওয়ারের কাছে গোহারা হেরে গেলেন পদ্ম ঘোষিত আজকের চাণক্য অমিত শাহ৷ তাঁর অমিত বিক্রম কী হল? সব কি টাইঁ টাইঁ ফিস হয়ে গেল? এখন এমনটাই বিজেপিকে বলছেন বিরোধীরা৷ শুক্রবার যেমন এনসিপির মুখপাত্র নবাব মালিক বললেন৷ বিজেপিকে তাঁর কটাক্ষ, শরদ পাওয়ার ভারতীয় রাজনীতির তথাকথিত ‘চাণক্য’-কেও হারিয়ে দিয়েছেন। তাঁর ইঙ্গিত কার দিকে তা বুঝতে কারও সমস্যা হওয়ার কথা নয়৷ চাণক্য ইদানীং বিজেপি সভাপতি ততা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেই বলে গেরুয়া ব্রিগেড ও তাদের সমর্থকরা৷ দেশে বিজেপির সাফল্যের অন্যতম স্থপতি ও কৌশলী মনে করা হয় অমিত শাহকে।

এদিন একাধিক বৈঠকের পর মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের ব্যাপারে ঘোষণা করতে চলেছে এনসিপি, শিবসেনা এবং কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে এনসিপির মুখপাত্র হিন্দিতে টুইট করলেন।তিনি ট্যুইটে লেখেন, ‘শরদ পাওয়ার সাহেব শেষ পর্যন্ত ভারতীয় রাজনীতির তথাকথিত চাণক্যকে হারিয়ে দিয়েছেন। দিল্লির শাসকরা মহারাষ্ট্রকে তাঁদের সামনে ঝোঁকাতে পারলেন না। জয় মহারাষ্ট্র।’ বিজেপি ও শিবসেনা ২১ অক্টোবর হওয়া মহারাষ্ট্র বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন জোট হিসেবে। বিজেপি ১০৫টি ও শিবসেনা ৫৬টি আসন পায়। কিন্তু সর্বোচ্চ আসন পাওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতার বণ্টন নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সেই জোট সরকার গড়তে পারেনি। শিবসেনার দাবি ছিল, মুখ্যমন্ত্রিত্বের মেয়াদের সমবণ্টন। পাশাপাসি মন্ত্রিসভাতেও দুই দলের প্রতিনিধি সমসংখ্যক থাকবেন। বিজেপি সেই দাবি মানতে চায়নি।

একসময় দীর্ঘদিন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শরদ পাওয়ার৷ তখন তিনি কংগ্রেস ছিলেন৷এখন তিনি এনসিপির সুপ্রিমো৷ গত সপ্তাহে তিনি একাধিক বৈঠক করেন, এর মধ্যে দিল্লিতে সনিয়া গান্ধির সঙ্গে বৈঠকও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার রাতে উদ্ধব ঠাকরে ও তাঁর পুত্র আদিত্য ঠাকরে এনসিপি মুখ্য শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন। শোনা গিয়েছে, বিজেপিও শরদ পাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল। শিবসেনার থেকে মাত্র দুই আসন কম পাওয়া এনসিপি চাইলে বিজেপির সঙ্গে সরকার গড়তে পারে, এই প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। এবং শরদ পাওয়ারকে ভারতের পরবর্তী রাষ্ট্রপতির প্রস্তাবও করা হয়েছিল বলে শোনা গিয়েছে। উল্লেখ্য ১২ নভেম্বর থেকে মহারাষ্ট্রে জারি রয়েছে রাষ্ট্রপতি শাসন। কোনও দল সরকার গঠনের দাবি না জানানোয় রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here