national news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: দিল্লি নির্বাচন উপলক্ষে অমিত শাহের মন্তব্যের জোর বিরোধিতা করেছিলেন জেডিইউ-র সহ সভাপতি নীতীশ কুমার। এমনকি তাঁর মুখ থেকেই বেরিয়েছিল প্রশান্ত কিশোর থাকলে থাকবেন। যেতে চাইলে যাবেন দরজা খোলা আছে। এর সঙ্গে পিকে কে আরও কিছু কড়া কথাও শুনিয়ে দিতে ছাড়েননি তিনি। তাঁর জবাব দিতে এবার পিছু পা হলেন না প্রশান্ত কিশোর। কড়া ভাষায় পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে সরাসরি নীতীশ কুমারকে দেগে দিলেন তিনি।

সিএএ নিয়ে মত বিরোধিতার জেরে বিহারের শাসকদল জেডিইউতে দ্বন্দ্ব চলছিলই। নীতীশ কুমারের সিএএ সমর্থন নিয়ে বেশ খিপ্ত ছিলেন পিকে। একের পর এক তিনি আক্রমণ শানিয়ে যান বিজেপি সরকারকে। পরিস্থিতির জেরে সমস্যা একটা হচ্ছিলই দলের অন্দরে। এরই মাঝে মঙ্গলবার নীতীশ বলেন, ‘ইতিমধ্যেই উনি বিভিন্ন দলের সঙ্গে কাজ করছেন। কিন্তু একটা বিষয় আমি স্পষ্ট করে দিতে চাই, উনি যদি দলে থাকতে চান তবে দলের প্রাথমিক পরিকাঠামো মেনে চলতে হবে।’ পাশাপাশি আরও একধাপ এগিয়ে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী দাবি, ‘আপনারা কি জানেন উনি কীভাবে দলে যোগ দিয়েছিলেন? অমিত শাহ আমাকে ওনার বিষয়ে বলেন। উনি সেসব হয়ত ভুলে গেছেন। কিংবা জেডিইউ ছাড়তে চাইছেন।’ নীতীশের বক্তব্যকে সহজ ভাবে নেননি প্রশান্ত কিশোরও।

পাল্টা টুইটে নীতীশ কুমারকে মিথ্যাবাদী বলে তিনি লেখেন, ‘আমি কীভাবে ও কেন জেডিইউতে যোগ দিয়েছিলাম তা নিয়ে এভাবে মিথ্যা কোথা বলতে হল? কতটা নীচে নেমে গিয়েছেন নীতীশ কুমার।’ একইসঙ্গে তিনি আরও লেখেন, ‘অমিত শাহের সুপারিশ করা লোকের কথাও তাহলে আপনি শুনছেন না। কে আর আপনাকে বিশ্বাস করবে?’ বলা বাহুল্য, দুই শীর্ষ নেতৃত্বের এহেন বাদানুবাদে তীব্র অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বিহার রাজনীতিতে। এহেন পরিস্থিতির জেরে প্রশান্ত কিশোর যে আর জেডিইউতে থাকছেন না সেটাও একরকম মেনে নিচ্ছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here