national news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: এমনটা যে হবে তা জানাই ছিল, তা সত্ত্বেও শেষ আশা দেখে বিরোধীরা আবেদন জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতিকে। তিনি যেন কৃষি বিলে সই না করেন। সবে সমস্ত আবেদন নিবেদন খারিজ করে ‘গায়ের জোরে’ পাস করানো বিতর্কিত’ সেই কৃষি বিলে স্বাক্ষর করে একে আইনের পূর্ণতা দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জাতীয় রাজনীতিতে ঝড় তুলে রেখেছে এই কৃষি বিল। দিকে দিকে চাষিরা তো প্রতিবাদ জানাচ্ছেনই। এমনকী বিজেপির সবচেয়ে পুরনো শরিক শিরোমণি অকালি দলও জোট ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গতকাল। এই অবস্থায় বিলে স্বাক্ষর করার জেরে বিক্ষোভ আরও তীব্রতর হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বস্তুত বিজেপি বাদে কোনও দলই এই বিলকে সমর্থন করছেন। কৃষকরাও সমানে এর বিরোধিতা করে চলেছেন। এরপর পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।

শেষবার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দ যখন নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে (সিএএ) স্বাক্ষর করেছিলেন, তারপর গোটা দেশে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তা সকলের জানা। তবে সেই বিলে এনডিএ শরিকদের সায় ছিল। এই বিলে সায় নেই তাদেরও। এমনকী রাজ্যসভায় এই বিল পাসের সময় রীতিমতো ‘গায়ের জোরে’ ধ্বনি ভোটে তা পাস করিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিরোধীদের কথা শোনা তো দূর, তাদের মাইকও বন্ধ করে দেওয়া হয়। তৃণমূলের ডেরেক ও’ব্রায়েন সহ আট সাংসদকে সাসপেন্ডও করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডু। সেই নিয়েও জল অনেকদূর গড়ায়।

তারপরই বিরোধীদের তরফে দাবি করা হয়, এই বিল সরকার ‘অগণতান্ত্রিক’ ভাবে পাস করাচ্ছে। তিনি যেন এতে স্বাক্ষর না করেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি ক্ষমতাবলে সেই বিল নাকচ করার অধিকারি হলেও নরেন্দ্র মোদীর জমানায় তাঁর বিরুদ্ধে গিয়ে কাজ করা বা কথা বলার ক্ষমতা কারোর নেই। তাই প্রত্যাশামতো চুপিচুপি তিনিও কোনও উচ্চবাচ্চ না করে তিনটি কৃষি বিলেই সই করে দিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here