priyanka gandhi
শোকাহত মায়ের পাশে

মহানগর ডেস্ক: সাধারণতন্ত্র দিবসে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে মৃত কৃষক নভরিৎ সিংয়ের শেষকৃত্যে যোগ দিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধি বঢরা। নবরিতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। পাশে থাকার বার্তা দেন।

বৃহস্পতিবার অন্যান্য কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি বঢরা নভরিতের বাড়ি গিয়েছিলেন। তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। উত্তরপ্রদেশের রামপুরে পৈতৃক বাড়িতে নভরিতের বৃহস্পতিবার শেষকৃত্য ছিল। সাংবাদিকদের প্রিয়াঙ্কা গান্ধি বঢরা বলেন, নবরিতের বয়স মাত্র ২৫। আমার ছেলের বয়স ২০। আমি শুধু নভরিতের পরিবারকে বলতে চাই, তারা যেন নিজেদের কখনই একা না মনে করেন। আমরা সবাই তাঁর পাশে আছি। এদিন কংগ্রেস নেতাদের পাশাপাশি সমাজবাদি পার্টির নেতারা নভরিতের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২৬ নভেম্বর থেকে কৃষকরা দিল্লির সীমান্ত ঘেঁষে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। মূলত পঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেছেন। সাধারণতন্ত্র দিবসে ট্র্যাক্টর ব়্যালি করার সিদ্ধান্ত নেন কৃষকরা। কিন্তু পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি। এরপর পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে কৃষকরা ট্র্যাক্টর ব়্যালি করার চেষ্টা করেন। সেই সময় নভরিতের মৃত্যু হয়। উত্তরপ্রদেশের পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ট্র্যাক্টর উল্টে গিয়ে নবরিতের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তে নভরিতের শরীরে কোনও বুলেট পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তে বলা হয়েছে, নভরিতের শরীরে আঘাতের জন্য মৃত্যু হয়েছে। যে আঘাত ট্র্যাক্টর উল্টে যাওয়ার কারণে হয়েছে। যদিও অন্য কথা বলছে নভরিতের পরিবার। নভরিতের পরিবার জানিয়েছে, ইংল্যান্ডের ফরেন্সিক চিকিৎসরা জানিয়েছে, নভরিতের শরীরে দুটো বুলেট পাওয়া গিয়েছে। পুলিশের গুলিতে ও আহত হয়েছে। তারপর ওর শরীরে ট্র্যাক্টর পড়ে যায়।

কৃষক আন্দোলনকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য সরকার নানাভাবে চেষ্টা করছে। কৃষকদের বিছিন্ন করতে আন্দোলনের এলাকা ব্যারিকেড করে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ইন্টারনেট, জল ও বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া। সংবাদমাধ্যমের কর্মীদেরও কৃষকদের কাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here