Home Featured SSKM: শিক্ষকের হাতে যৌন হেনস্থার শিকার পাঠরতা তরুণী! বিচার না পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ

SSKM: শিক্ষকের হাতে যৌন হেনস্থার শিকার পাঠরতা তরুণী! বিচার না পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ

0
SSKM: শিক্ষকের হাতে যৌন হেনস্থার শিকার পাঠরতা তরুণী! বিচার না পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ
Parul

মহানগর ডেস্ক: নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হলো কলকাতার এসএসকেএম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। খোদ সহকারী শিক্ষক ও বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি পাঠাতে বাধ্য হলেন সিসিইউ বিভাগে পাঠরতা এক ডাক্তারির ছাত্রী। অভিযোগ দীর্ঘ দিন ধরে নানা ভাবে ওই ছাত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নিগ্রহ করেছেন তারই বিভাগের সহকারী প্রফেসর ডাঃ মনতোষ সূত্রধর।

তরুণী আরো অভিযোগ করেছেন তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে সাহায্য করা তো দূর, উপরন্তু অভিযুক্তকে সর্বত ভাবে আড়াল করে তরুণীর ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করেন বিভাগীয় প্রধান ডাঃ আশুতোষ ঘোষ। তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে বিচার বিভাগীয় কমিটি গঠিত হলেও উল্লেখযোগ্য কোনো সুরাহাই মেলেনি বলে জানিয়েছেন নিগ্রহের শিকার ওই তরুণী।

এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন গত বছর জানুয়ারিতে হায়দ্রাবাদে এক কনফারেন্সে গেলে মধ্যরাতে তাকে মিথ্যে বলে তার হোটেল থেকে অন্য হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এবং সেখানে ওই তরুণীর সঙ্গে খুবই কুরুচিপূর্ণ ব্যবহার করেন ওই প্রফেসর এবং তাকে শারীরিক ভাবে নিগ্রহও করা হয়। তবে এখানেই থেমে থাকেননি ওই শিক্ষক। হায়দ্রাবাদ থেকে ফিরে আসার পরেও ওই তরুণীর গায়ে জোর করে হাত দেওয়া ও শারীরিক শ্লীলতাহানির পাশাপাশি হোয়াটস অ্যাপে চুম্বনেরও প্রস্তাব দেন তিনি।

এরপর ওই তরুণী যখন তার বিভাগীয় প্রধান ডাঃ আশুতোষ সরকারকে মৌখিক অভিযোগ জানান তখন তিনি ঘটনাটি নিয়ে কোনো পদক্ষেপই নেননি। উত্তরন্তু নানা ভাবে অভিযুক্তকে আড়াল করে কর্মক্ষেত্রে তরুণীর জন্য প্রতিকূল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে মানসিক চাপ দিতে থাকেন। পরবর্তী কালে তরুণী অফিসিয়ালি মেইল করে বিভাগীয় প্রধানকে অভিযোগ জানিয়েছিলেন এবং হোয়াটস অ্যাপে তার প্রাপ্তি শিকারও করেছিলেন তিনি। তবে পরবর্তী কালে তা সম্পূর্ণ রূপে অস্বীকার করেন তিনি।

এরপর তরুণীর চাপে পড়ে অভ্যন্তরীন তদন্ত কমিটি গঠন করেন কতৃপক্ষ এবং প্রাথমিক ভাবে নিগ্রহের অভিযোগটি মেনেও নেওয়া হয়।কিন্তু তারপরেও উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি। আর তাই নিরুপায় হয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে বিচারের আশায় দিন গুনছেন নিগ্রহের শিকার ওই ডাক্তারি ছাত্রী।
তার আশঙ্কা, জনসমক্ষে বিষয়টি নিয়ে আসায় তাকে ডাক্তারির পড়াশুনা ছাড়তেও বাধ্য করা হতে পারে।

তবে খোদ কলকাতা মহানগরীতে এসএসকেএমের মত এইরকম পরিচিত প্রতিষ্ঠানে নারী নিরাপত্তা নিয়ে এরম গুরুতর অভিযোগ ওঠায় চাপে পড়েছে কতৃপক্ষ। শিক্ষকের হাতেই যদি ছাত্রীরা নিরাপদ না থাকে তাহলে শহরের বুকে নারী নিরাপত্তা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা নিয়েও উঠছে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here