kolkata bengali news

Highlights

  • কাজ দেওয়ার নাম করে বাড়িতে আটকে জোর করে দেহব্যবসায় নামানোর অভিযোযোগ
  • পলাতক বাড়ির মালিক
  • মালিকের স্ত্রীকে পাকড়াও করে বেদম প্রহার স্থানীয় বাসিন্দাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক, কোচবিহার: এলাকায় দেহ ব্যবসা চালানো ও অন্য কাজের টোপ দিয়ে জোর করে আটকে এই কাজে বাধ্য করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল কোচবিহারের মহিষবাথানে। অভিযুক্তদের আটক করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

বাড়িতে দেহব্যবসা চালানোর অভিযোগে দুই যুবতী সহ তিনজনকে আটক করল পুন্ডিবাড়ি থানার পুলিশ। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার শহর সংলগ্ন মহিষবাথানের ডুমুরতলা এলাকায়।

জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় একটি বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরেই বহিরাগত যুবক-যুবতীদের আনাগোনা চলছিল। সেখানে দেহব্যবসা চলে বলে অভিযোগ ছিল গ্রামবাসীদের। এদিন এক যুবতীর চিৎকারে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে দাবি স্থানীয়দের। এরপরেই ওই বাড়িতে গিয়ে এক মহিলাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় বাসিন্দারা। পুলিশ ওই বাড়ির মালিকের স্ত্রী সহ ভিন রাজ্যের দুই যুবতীকে আটক করে নিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কী উদ্দেশ্যে ওই বাড়িতে বহিরাগত ছেলে-মেয়েদের আনাগোনা ছিল তা তাঁরা জানতেন না। এদিন সকালে বাড়ির ভেতর থেকে এক যুবতীর চিৎকার ও কান্নার আওয়াজ পেলে গ্রামবাসীরা সেখানে পৌঁছয়। হাত, পা বেঁধে তাকে মারধর করা হচ্ছিল বলে গ্রামবাসীদের জানায় ওই যুবতী। জানা যায় যে, কাপড়ের দোকানে কাজ করার কথা বলে নিয়ে এসে জোর করে দেহব্যবসার কাজ করানো হচ্ছে। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। বাড়ির মালিকের স্ত্রীকে ঘেরাও করে শুরু করে মারধর। বাড়ির মালিক পলাতক। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here