pm modi bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: রাজ্যসভায় পাশ হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির সাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে আইন হিসাবে পরিগনিত হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। যদিও মোদী সরকারের এই বিলকে নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তাল হয়ে উঠেছে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি। জারি হয়েছে কার্ফু। আতঙ্কে রয়েছে দেশের সংখ্যালঘুরা। এরইমাঝে ক্যাব ইস্যুতে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সরব হল মার্কিন সরকার। ভারতে সংখ্যালঘুদের অধিকার যাতে সুরক্ষিত থাকে তার জন্য মোদী সরকারকে স্পষ্ট বার্তা দিল মার্কিন বিদেশ দফতর।

বৃহস্পতিবার মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র জানান, ‘ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে কী কী ঘটছে সেদিকে নজর রেখেছি আমরা। ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সকলের সমানাধিকার গণতন্ত্রের দুই মৌলিক নীতি। ভারত যেন সংবিধান ও গণতান্ত্রিক এই দুই মূল্যবোধের কথা মাথায় রেখে দেশের সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করে।’ আমেরিকার এই বার্তা আপাতভাবে আর্জি মনে হলেও। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের দাবি, এটা ভারতকে উদ্দেশ্য করে কড়া বার্তা আমেরিকার। শুধু আমেরিকা নয়, ইতিমধ্যেই এই বিলের প্রতিবাদে সরব হয়েছে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ, পাকিস্তান, জাপান। ইতিমধ্যেই ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক বাতিল করেছে বাংলাদেশ ও জাপান। তবে ক্যাবের সামনে কোনও রকম বাধাকে যে ভারত সরকার বিশেষ পাত্তা দিতে নারাজ তা ইতিমধ্যেই বেশ স্পষ্ট। সেটা আন্তর্জাতিক সম্পর্কই হোক না কেন?

প্রসঙ্গত, মোদী সরকারের এই বিলের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই সরব মাঋক কংগ্রেসের একটি অংশ। তাদের দাবি, এনআরসির পর দেশের মুসলিমদের নিশানা করতেই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ক্যাব এনেছে মোদী সরকার। যার জেরে চলতি সপ্তাহেই মোদী শাহদের বিরুদ্ধে সরব হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা সংক্রান্ত কমিশন। তারা স্পষ্ট জানায় এই বিল পাশ হলে মোদী-শাহ সহ শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপানো উচিত। যদিও সে হুঁশিয়ারিকে খুব বিশেষ পাত্তা দেয়নি ভারত। পাল্টা আমেরিকার সে বক্তব্যকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে সরব হয় দেশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here