ডেস্ক: ভোট কিন্তু কোনও পরীক্ষার থেকে কম নয়। তবে এই ভোট কিন্তু একটু অন্যধরণের। সুইজারল্যান্ডে খুব শীঘ্রই ভোট হতে যাবে তবে সরকার নির্বাচনের নয়, গরুর মাথায় শিং থাকবে কি থাকবে না? সুইজারল্যান্ড শহরটা কোনও স্বপ্নের জায়গা থেকে কম নয়। যেখানেই চোখ যাবে সেখানেই দেখা যাবে কচি কচি ঘাস। বরফে ঢাকা পাহাড়ে মনোরম দৃশ্য দেখতে হাজার মানুষ এখানে ভিড় জমায়। তবে এই মনোরমের থেকেও এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সুইজারল্যান্ডের এই গণভোট। অবশ্য সুইজারল্যান্ডের বেশিরভাগ গরুর মাথায় শিং নেই। আর এই আইনকে কার্যকর করতে সুইশ সরকার একটি নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে।

সুইশ সরকারের নতুন নীতি হল কোনও গরুর মাথায় যদি শিং দেখা যায় তাহলে সেই মালিককে দিতে হবে জরিমানা। জরিমানা স্বরূপ মালিককে দিতে হবে ১৯০ সুইশ ফ্রাঙ্ক। ১৯০ সুইশ যা ভারতিয় মুদ্রায় দাঁড়ায় ১৩ হাজার টাকা। অনেকে মনে করছেন, গরুর শিং কেটে দেওয়া হলে তা অন্যায় হবে। এভাবে কোনও প্রাণীকে আঘাত করা উচিত নয়।

যদিও গরুর শিং বাদ দেওয়া খুব একটা সহজ নয়। এক্ষেত্রে ছোট থাকাকালীনই শিং বিশেষ উপায়ে কেটে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। যাতে সেই জায়গায় আর নতুন করে শিং না গজায়।তবে কেউ কেউ আবার এই বিপুল পরিমাণ জরিমানার ভয়ে গরুর শিং কাটাতেও রাজি হয়েছেন। কিন্তু সুইস সরকারের এই আইনকে কার্যত চ্যালেঞ্জ করলেন সেই দেশেরই এক বাসিন্দা।

উত্তর-পশ্চিম সুইজারল্যান্ডের বাসিন্দা আরমিন কাপল সরকারের এই সিদ্ধানের তীব্র বিরোধীতা করেন। তার বক্তব্য, ‘গরুর শিং বাদ দেওয়াতে তার শারীরিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গরুর শিং থাকাতে কোনও সমস্যাও হওয়ার কথা নয়।’ আরমিনের এই সিদ্ধান্তে অনেকেই তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। অনেকে বলছেন এভাবে কোনও প্রাণীর শরীরের কিছু অংশ কেটে বাদ দেওয়া যায় না। এতে ক্ষতি হবে সেই প্রাণীটির। তবে সুইশ সরকারের এই নতু নীতির পরীক্ষা হবে কাল অর্থাৎ কালই গণভোট হবে সুইজারল্যান্ডে গরুর শিং থাকবে, কি থাকবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here