kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বনগাঁ: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের পুজোর প্রসাদ এসে পৌঁছল ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে। যানিয়ে ফের বিতর্ক শুরু হয়েছে। এটা ভোটের রাজনীতি বলে জানালেন মমতাবালা ঠাকুর। ৫ তারিখে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর প্রসাদ পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশের ওড়াকান্দিতে। পাশাপাশি প্রসাদ পাঠানো হয়েছে ঠাকুরনগরের ঠাকুর বাড়িতে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল পেট্রাপোল সীমান্তের জিরো পয়েন্টে গিয়ে ওড়াকান্দি প্রতিনিধি দলের কাছে তুলে দেয় রাম মন্দিরের প্রসাদ। এরপর তারা ঠাকুরবাড়িতে এসে অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি সুব্রত ঠাকুরের হাতে প্রসাদ তুলে দেন।

ঠাকুরবাড়ি থেকে পাঠানো জল ও মাটি আদৌ পুজোর কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল কিনা, এ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অবশেষে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয় ঠাকুরবাড়ির মাটি ও জল পুজোর কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল। এবার সেই পুজোর প্রসাদ ঠাকুরবাড়িতে আসতেই আবারও কটাক্ষ ঠাকুরবাড়ির  সদস্য মমতাবালা ঠাকুরের। এদিন তিনি প্রশ্ন করেন এতদিন পরে কেন প্রসাদ এল। জল ও মাটি যে ব্যবহৃত হয়েছে, তার রিসিভ কপি কোথায়। তিনি দাবি করেছেন, এটা সম্পূর্ণ ভোটের রাজনীতি।

যদিও পাল্টা হিসেবে অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি সুব্রত ঠাকুর জানিয়েছেন, আমি এর মধ্যে কোনও বিতর্ক খুঁজে পাই না এটা নিয়ে অপপ্রচার চলছে। ঠাকুরবাড়িতে রাম মন্দিরের প্রসাদ পৌঁছে দিয়ে, ঠাকুরবাড়ির জল ও মাটি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতরকের প্রসঙ্গে বিশ্বহিন্দু পরিষদের সম্পাদক অরবিন্দ সরকার বলেন, ধর্মের বিষয়টা হল সম্পূর্ণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের। এই বিশ্বাসের ওপর যারা আঘাত করার চেষ্টা করে তারা সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here