ডেস্ক: কৃষ্ণসার হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত সলমন খান আজও জামিন পাবেন কিনা এই নিয়ে নতুন করে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। কারণ সল্লু মিয়াঁর জামিনের শুনানির আগের রাতেই রীতিমতো ফিল্মি কায়দায় বদলি হয়ে গেলেন বিচারক রবীন্দ্র কুমার যোশী। যোধপুর সেশনস কোর্টের বিচারপতি ছাড়া আরও ৮৭ জন বিচারপতিরও বদলি হয়েছে। ফলে আজ জামিনের আবেদনের শুনানি থাকলেও তা আদৌ কখন হবে এবং সলমন জামিন পাবেন কিনা এই নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ফলে ভাইজানের হাজতবাস আরও একদিন বেড়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে, গতকালই সলমনের আইনজীবী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন রবি পূজারি নামের গ্যাংস্টার তাঁকে হত্যা করার ছক কষছে এবং হুমকি দিচ্ছে। সলমনের জেল যাত্রার ফলে ফিল্মি দুনিয়াও অনিশ্চয়তার কবলে। ভেঙে পড়েছেন ভাইজানের ফ্যানেরা। গতকাল রাতেও খাওয়ার মুখে তোলেন নি সল্লু। শুয়ে কাটিয়েছেন মেঝেতেই। বোঝাই যাচ্ছে তিনিও কারাগার থেকে বেরিয়ে আসতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। কিন্তু জামিনের শুনানি না হওয়া পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে ভাইজানকে।

যোধপুর সেশনস কোর্টের নতুন বিচারপতি চন্দ্র কুমার সোনাগরা যতদিন না মামলাটির খুঁটিনাটি বুঝে নিচ্ছেন ততদিন সলমনের জামিন পাওয়া নিয়ে আশঙ্কা থাকছে। উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে হাম সাথ সাথ হ্যায় ছবির শুটিংয়ে যোধপুর গিয়েছিলেন সলমন, সেফ আলি খান, তব্বু, নীলম ও সোনালি বেন্দ্রে। সেখানেই শুটিং চলাকালীন ১ ও ২ অক্টোবর রাতে কাঙ্কানি গ্রামে আলাদা আলাদা দুটি জায়গায় কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করা হয়। সেই ঘটনায় অভিযোগ ওঠে সলমন খান সেফ আলি খান, তব্বু, নীলম ও সোনালি বেন্দ্রের বিরুদ্ধে। যোধপুর আদালতে বন্য পশু সংরক্ষণ আইনের ৫১ নম্বর ধারায় মামলা চলে তাঁদের বিরুদ্ধে। গত ২০ বছর ধরে চলা এই মামলায় তিনটি মামলায় সলমন মুক্তি পেলেও চতুর্থ মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয় বলিউড সুপারস্টারকে। অন্যদিকে বেকসুর খালাস করা হয় সেফ আলি খান সহ বাকি তিন অভিনেত্রীকে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here