ডেস্ক: কর্ণাটকে সরকার গঠন নিয়ে নাটক চলছেই। আর সেই নাটকের সঙ্গে সমান তালে পা ফেলে চলছে রাজনৈতিক নেতাদের একে অপরের দিকে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি। কর্ণাটকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণের পর টুইটারে সংবিধানিক শক্তির অপব্যবহার হচ্ছে বলে সরব হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে ছত্তিসগড়ের এক সভায় গিয়ে মোদী সরকার ও আরএসএসকে এক হাত নিলেন তিনি। তাঁর কথায়, পাকিস্তান আফ্রিকাতে যে সব চিত্রগুলি দেখা যায় ৭০ বছরে এই প্রথম সেটাই দেখল ভারত।

মোদী সরকারের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে তিনি বলেন, ‘এমনটা পাকিস্তান ও আফ্রিকাতে হয়। কিন্তু ৭০ বছরে এই প্রথমবার তা দেখতে হল ভারতকে। দেশের সমস্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে রীতিমতো দখল করছে আরএসএস। ভারতের সংবিধানের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। এমনটা পাকিস্তানেও হয় না। জেডিএসের বিধায়কদের ১০০ কোটি টাকা দিয়ে কেনার প্রস্তাব দিচ্ছে বিজেপি।’

একইসঙ্গে সরাসরি অভিযোগের সুরে তিনি বলেন, ‘ভারতের বিচার ব্যবস্থা, সংবাদমাধ্যম এমনকি বিজেপির নিজেদের সাংসদরাও ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সামনে কোন কথা বলতে পারেন না তাঁরা। সব জায়গাতে নিজেদের লোক ঢুকিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে বিজেপি।’

অন্যদিকে, রাহুলের বক্তব্যের পাল্টা দিয়ে টুইট করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি অমিত শাহ। তিনি বলেন, ‘মানুষের জন্য নয়, রাজনৈতিক স্বার্থে জেডিএসকে ব্যবহার করতে চেয়েছিল বিজেপি। আর সেই কারনেই জেডিএসকে সুবিধাজনক প্রস্তাব দিয়েছিল কংগ্রেস। গণতন্ত্রের হত্যা হয়েছিল ঠিক তখনই। নিজেদের আমলে জরুরি অবস্থা জারি, অনুচ্ছেদ ৩৫৬-র অপব্যবহার, সংবাদমাধ্যম, আদালত ও সাধারণের কণ্ঠরোধ করার মতো আপনাদের উজ্জল ইতিহাস ভুলে যাবেন না।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here