Home Latest News রাহুল গান্ধী আদতে জোকার, কমিশন নিয়ে খোঁচার জবাবে চন্দ্রশেখর

রাহুল গান্ধী আদতে জোকার, কমিশন নিয়ে খোঁচার জবাবে চন্দ্রশেখর

0
রাহুল গান্ধী আদতে জোকার, কমিশন নিয়ে খোঁচার জবাবে চন্দ্রশেখর
Parul

ডেস্ক: লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে একে অপরকে বাক্যবাণে বিদ্ধ করার প্রবণতা আরও বাড়িয়ে যাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তো মুহুর্মুহ আক্রমণ করে গেছেন রাহুল গান্ধী। একইভাবে কটাক্ষ সইতেও হচ্ছে তাঁকে। তবে এইবার তাঁর সঙ্গে বাকযুদ্ধে জড়িয়েছেন তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি (টিআরএস) প্রধান তথা তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও বা কেসিআর। কংগ্রেস সভাপতিকে ‘জোকার’ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি।

‘তেলেঙ্গানার উন্নয়নের নাম করে চন্দ্রশেখর রাও নিজের সম্পত্তি বাড়িয়েছেন। তাঁর মূল কাজ কংগ্রেস আমলের প্রকল্প নিজেদের নামে করে টাকা উপার্জন করা’। বৃহস্পতিবার নিজামাবাদে এক জনসমাবেশে এমনই দাবি করে তাঁকে কটাক্ষ করেছিলেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন চন্দ্রশেখর রাওকে যে কেসিআর বলা হয় সেই ‘কেসিআর’ কথার অর্থ ‘খাও কমিশন রাও’! এদিন রাহুল গান্ধীর কটাক্ষের জবাব দিতে গিয়ে কেসিআর বলেছেন, ‘ভগবান তাকে বুদ্ধি দিয়েছেন কিনা জানা নেই, তবে তিনি ‘জোকার’-এর মতই কথা বলেন’। রীতিমতো ক্ষোভপ্রকাশ করে তিনি বলেছেন, রাহুল গান্ধীর মত চিন্তামুক্ত জীবন তিনি পান নি, তাঁকে লড়াই করতে হয়েছে। তাদের যা প্রয়োজন সেই সংক্রান্ত প্রকল্পের কাজই করেছেন তাঁরা। তিনি এও বলেন, আলাদা করে কমিশনের কোনও প্রয়োজন নেই টিআরএস-এর। তাঁদের জীবন রাহুল গান্ধীর মত কমিশন নির্ভর নয়। চন্দ্রশেখর রাও-এর সাফ বক্তব্য, মিথ্যে অপবাদ দিচ্ছেন কংগ্রেস সুপ্রিমো।

রাহুল গান্ধী যেমন কেসিআরকে আক্রমণ করেছেন ঠিক সেই পথেই চলেছেন নভজ্যোত সিং সিধুও। চন্দ্রশেখর রাও-এর পরিবার নিয়ে মন্তব্য করতে পিছপা হননি তিনি। কেসিআর-এর পরিবারকে ‘আলিবাবা ও ৪০ চোর’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। সিধুর মন্তব্য, তিনি আলিবাবা ও ৪০ চোরের গল্প পড়েছিলেন, তবে এখন তিনি তেলেঙ্গানার তার হদিশ পেয়েছেন।

কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে আসার পর দলের সঙ্গে খুব একটা ভালো সম্পর্ক এমনতিই নেই চন্দ্রশেখর রাও-এর। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে যখন সব বিরোধী দল একজোট হয়ে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে, সেখানে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী সেই বিজেপি বিরোধী মঞ্চ থেকে নিজেকে দূরেই রেখেছেন। তবে কংগ্রেসের সঙ্গে বনিবনা না থাকলেও নরেন্দ্র মোদীর সরকারকে ধরাশায়ী করতে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন চন্দ্রবাবু নাইডুও। সেই আলাপচারিতাও ব্যাপক কৌতুহল বাড়িয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহলে। স্বাভাবিক কারণেই সেই সখ্যতা ‘হজম’ হয়নি চন্দ্রশেখর রাও-এর। একদিকে যেমন তিনি বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করেছেন, অন্যদিকে কংগ্রেসকেও চোখরাঙানি দেখাচ্ছেন তিনি। চন্দ্রশেখর রাও-এর এই যে ‘একলা চলো নীতি’ ২০১৯-এর ভোটে ঠিক কতটা প্রভাব ফেলবে, বা আদৌ ফেলবে কিনা তা সময়ই বলবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here