modi vs rahul

মহানগর ওয়েবডেস্ক: মধ্যপ্রদেশে সরকার বাঁচানো নিয়ে চরম জটিলতা। যে কোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে সরকার, দখল নিতে পারে বিজেপি। এই পরিস্থিতি প্রথমবারের জন্য মুখ খুলে গেরুয়া শিবিরকে শুধু আক্রমণই নয়, মোদী-শাহকে তুলোধনা করলেন সাংসদ রাহুল গান্ধী। তিনি বললেন, দেশের অন্যান্য গুরুতর সমস্যা বাদ রেখে মোদী সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকারকে ভাঙার চেষ্টা করছে। একদিকে, বাজারে সমস্যা, অর্থনীতি এবং তেলের দাম নিয়ে জেরবার মানুষ, সেসবের দিকে না তাকিয়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টায় রত বিজেপি।

ট্যুইট করে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, আপনি যখন কংগ্রেস সরকারকে ফেলার চেষ্টায় আছেন তখন হয়তো আপনি দেখতে ভুলে গিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক তেলের দামে ৩৫% ঘাটতি হয়ে গিয়েছে। আপনি কি পেট্রোলের দাম ৬০-এর নীচে এনে ভারতবাসীকে উপকৃত করতে পারেন? এটা ঝিমিয়ে পড়ে অর্থনীতিকে জাগিয়ে তুলতে পারে।’

এদিকে, এখন যা পরিস্থিতি তাতে মধ্যপ্রদেশ কোনও বিধায়কদের জন্য সুরক্ষিত নয়! নিজেদের মতো সুরক্ষিত জায়গায় নিজেদের বিধায়কদের পাঠিয়ে দিচ্ছে দলগুলি। যেমন, নিজেদের বিধায়কদের গুরুগ্রামে পাঠিয়ে দিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, কংগ্রেস ৯২ জন দলীয় বিধায়ককে ভোপাল থেকে জয়পুর পাঠাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সুতরাং, সরকার ভাঙা আর সরকার বহাল রাখার খেলায় মেতেছে মধ্যপ্রদেশ। তবে এই প্রেক্ষিতে কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে বিজেপিই, কারণ তাদের হারানোর কিছু নেই। সেই ক্ষেত্রে বিস্তর চিন্তা নিয়ে মগ্ন কংগ্রেস সরকার।

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এদিন দুপুরেই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। সূত্রের খবর, আগামী ২৬ মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচনে সিন্ধিয়াকে প্রার্থী করে পাঠতে পারে বিজেপি। যা নিয়ে মঙ্গলবার দিল্লির বিজেপি সদর দফতরে এক হাইভোল্টেজ বৈঠকে বসেন নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহ। সেই বৈঠকে সিন্ধিয়ার দলে যোগদান বিষয়ে এবং মধ্যপ্রদেশ দখলের রণনীতি নিয়ে আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে কংগ্রেস ছাড়েন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে জানান, কংগ্রেসের থেকে মানুষের হয়ে কাজ করতে তিনি পারছেন না। সেই কারণেই এই পদত্যাগ। অন্যদিকে, ইস্তফা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দলবিরোধী কার্যকলাপের জন্য জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে বহিষ্কার করেছে কংগ্রেস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here