ডেস্ক: ‘কেউ যখন অন্তিম যাত্রার পথে পা বাড়ায়, তখন রাম নাম করতে করতে তাঁকে শ্মশান পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। তৃণমূলেরও শ্মশান যাত্রার সময় হয়ে এসেছে। সেই কারনেই এই রাম নামের আয়োজন, রাম নাম করেই অন্তিম যাত্রায় পাঠানো হবে তৃণমূলকে।’ রাম নবমী পালন করাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলকে কার্যত একহাত নিলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা।

সম্প্রতি রাজ্যে রামনবমী পালনের অনুমতি দিয়েছে রাজ্য। সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন রাহুলবাবু। তাঁর কথায়, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই ধর্মীয় মেরুকরণ তৈরি করে পশ্চিমবঙ্গের আর সর্বনাশ করবেন না। রামনবমীতে অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে এতবার চিৎকার করছেন। আর যখন মহরমে অস্ত্র নিয়ে মিছিল হচ্ছে তখন চুপ থাকছেন কেন? ন্যায় শাসনই যদি হয় তবে সব ধর্মের সমান অধিকার দেওয়া উচিৎ।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একপক্ষকে তোষন নীতির বাইরে বেরিয়ে সব ধর্মকে সমানাধিকার দেওয়ার সাহস ওদের নেই। রাম জন্মভূমি নিয়ে রাজনীতি করছে তৃণমূল। এবং রামের জন্ম উৎসবকেও রাজনীতির মড়কে মোড়ার চেষ্টা চলছিল। তবে ভূতের মুখে রাম নাম করাতে পেরে আমরা খুব খুশি। তাদের মুখে রাম নাম করানোর পুরো কৃতিত্ব অবশ্যই বিজেপির।

একইসঙ্গে রামনবমীতে অস্ত্র মিছিল প্রসঙ্গে রাহুল সিনহা বলেন, ‘আমরা অস্ত্র বিষয়ে খুব বিশেষ আগ্রহী নই। যাদের পরম্পরা আছে তারা অস্ত্র নেবে। তবে পার্টির তরফে রাম নবমীর আয়োজন আমরা করি না। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি অবশ্যই হাজির থাকি। মুখ্যমন্ত্রী অজথা অস্ত্র অস্ত্র করে পরিবেশ গরম করছেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ রাজনৈতিক চাপানউতরোন কাটিয়ে সম্প্রতি রাম নবমীতে অস্ত্র মিছিলের অনুমতি দিয়েছে রাজ্য। তবে একইসঙ্গে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র যাদের ১০ বছর আগে থেকে অস্ত্র মিছিলের অনুমতি আছে তাদেরই অস্ত্র মিছিল করার অনুমতি দেবে পুলিশ। সেই সঙ্গে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ৪ টের পরে বেরোবে মিছিল। কোনও রকম অশান্তির খবর আসলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here