নিজস্ব প্রতিবেদক, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জের বাসিন্দা সোনু গুপ্তা জন্ম থেকেই ছিল প্রতিবন্ধী। অথচ পড়াশুনায় সে ছিল মেধাবী। জিনগত ত্রুটির কারণেই ১৮ বছরের সোনুর উচ্চতা মাত্র দেড় ফুট। অন্যের সাহায্য ছাড়া চলতে ফিরতে পারত না। পাশাপাশি ছিল আর্থিক অনটনও। বাবার একটি ছোট মুদিখানার দোকান আছে তা চালিয়েই কোনও মতে সংসার চলে তাদের। উচ্চমাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট করেছিল। কিন্তু আর্থিক দুরাবস্থার কারণে কলেজে হয়তো তাঁর পড়া হবে না, এমনটাই ভেবে রেখেছিল সোনু।

ছোটবেলা থেকেই বড়ো হবার স্বপ্ন তাকে কুড়েকুড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু অবসাদের এই জীবনে আশার আলো জ্বালিয়ে অসহায় সোনুর পাশে দাঁড়াল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রথা ভেঙে সোনুর বাড়িতে গিয়ে কলেজে ভর্তির যাবতীয় ব্যাবস্থা করলেন রেজিষ্টার দূর্লভ সরকারের নেতৃত্বে অধ্যাপকদের এক প্রতিনিধিদল

সোনুর এই ইচ্ছাশক্তি দেখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজে এগিয়ে এলেন তাকে সাহায্য করতে। পাশাপাশি রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কালিংশর তিওয়ারি সোনুর যাবতীয় পড়াশুনার দায়িত্ব নিলেন। এদিকে রেজিস্টার দূর্লভ সরকার বলেন, “উপাচার্যের নির্দেশে আমরা এখানে এসেছি। ছেলেটি এত সমস্যার মধ্যেও যেভাবে পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছে তাতে সত্যিই অবাক হয়ে যেতে হয়। ওর চলাফেরা করতে অসুবিধা,তাই আমরা বাড়িতে এসেই ভর্তির কাজ সম্পন্ন করলাম। ভবিষ্যতে সোনুর পড়াশোনার ব%”