kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিধ্বংসী আগুনে একেবারে শেষ হয়ে গেল পূর্ব রেলের সদর দফতর স্ট্যান্ড রোডের কয়লাঘাট অফিস। সন্ধ্যা থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন দমকল কর্মীরা। বেশ কয়েকটি ইঞ্জিনের পাশাপাশি আনা হয় হাইড্রোলিক ল্যাডার। আগুন নেভাতে ঢোকেন দমকল কর্মীরা। তারপর ধোয়া এবং গ্যাসের গন্ধে বেশ কয়েকজন দমকলকর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েন।

জানা যাচ্ছে, একটি লিফটে পাঁচজন দমকলকর্মী আটকে পড়েন। তাদের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। ১৩ তলায় একজন রেলের কর্মী আটকে পড়েন। তাঁকে উদ্ধারের জন্য লিফটে করে উঠছিলেন দমকল কর্মীরা। মাঝপথে লিফট আটকে পড়ে। বিষাক্ত গ্যাসে সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই দমকল কর্মীরা। পরে তারা কার্যত সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ওই লিফটে আটকে থাকেন। তাদের প্রত্যেকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। গোটা বাড়িটি বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।

অসুস্থ দুই দমকলকর্মীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুল্যান্স এনে নীচে রেখে দেওয়া হয়। রাত দশটা নাগাদ ঘটনাস্থলে আসেন বিদায়ী পুরমন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। আসেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।

অন্যদিকে, ​আগুনের লেলিহান শিখায় সার্ভার রুম ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে গোটা পূর্ব ভারতে। অনেক জায়গায় বুকিং বন্ধের পাশাপাশি গতি স্লো হয়ে যায় বলে খবর আসতে থাকে। সার্ভার রুম কার্যত পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে দমকল সূত্রে জানা যাচ্ছে। যার জেরে পূর্ব ভারতের একাধিক রাজ্যে অনলাইন বুকিং পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাত ১০টার পরেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। দমকলকর্মীরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ চালাচ্ছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here