নিজস্ব প্রতিবেদক, কোচবিহার: শুক্রবার দিনহাটা কালমাটি এলাকা থেকে ১৬জন দিল্লীতে কাজে যাওযার জন্য নিউ কোচবিহার স্টেশনে আসেন। তাদের অবধ আসাম এক্সপ্রেস ট্রেনে দিল্লি যাওযার কথা ছিল। তাই রাতে একটু আগে আগেই এসে স্টেশনে তারা বসে ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় নিউ কুচবিহার রেল পুলিশের এক আধিকারি এক সিভিক ভলেন্টিয়ারকে সঙ্গে নিযে ওই দলটির কাছে এসে তাদের কাগজপত্র সহ টিকিট দেখতে চায়। টিকিট সহ সমস্ত কিছু দেখানোর পর ওই দলটির কাছে রেল পুলিশের আধিকারি ৫০হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দেওয়ায় ওই দলটির রবি দাস নামে এক ব্যক্তিকে রেল পুলিশ আটক করে। অভিযোগ সেই ঘটনার প্রতিবাদ করলে ওই ব্যক্তিকে মারধরও করা হয়। সেই সময তার স্ত্রী বিউটি দাস ও তার শাশুড়ি তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য রেল পুলিশের কাছে আবেদন করে। কিন্তু সেই কথা কানে তোলা তো দূরের কথা উল্টে ওই দুই মহিলাকেও মারধর করেন ওই আধিকারিক ও তার সঙ্গে থাকা ভলেন্টিয়ার। তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় বলেও অভিযোগ।

শনিবার সকালে বিষয়টি নিউ কোচবিহার স্টেশন সংলগ্ন ট্যাক্সিস্ট্যান্ডের চালকেরা জানতে পারেন। তারা তখন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়ে দোষী ওই আধিকারিক ও সিভিক ভলেন্টিয়ারের শাস্তির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। তারা উত্তেজিত হযে রেলপুলিশের অফিস চত্বরেও ব্যাপক ভাঙচুর চালান। পাশাপাশি রেল পুলিশ সাম্প্রতিক কালে নানা সময়ে যত গাঁজা উদ্ধার করেছিল সেই মজুত গাঁজার ঘরেও ভাঙচুর চালানো হয়। পরে বিশাল পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বিষয়টি নিযে আলিপুরদুযার রেল ডিভিসনের নিউ কোচবিহার স্টেশন মাস্টরের কাছে অভিযোগও জানানো হয়েছে। স্টেশন মাস্টর নিরঞ্জন বর্মন বলেন, এদের বিরুধে আগে থেকে বিভিন্ন অভিযোগগ রযেছে। তবে লিখিত ভাবে সেই সব অভিযোগ না আসায় আমরা কিছু করতে পারিনি। কিন্তু এবার লিখিতভাবে ওদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। এবার সব কিছু উচ্চ আধিকারিদের জানানো হবে। তারা কেন এভাবে যাত্রীদের হযরানি করেন সেটাও ক্ষতিয়ে দেখা হবে। অন্যদিকে এদিন সকাল থেকে নিউ কোচবিহার স্টেশন চত্বর থেকে কোন গাড়ি না চলার কারনে যাত্রিদের অসুবিধায় পড়তে হয়।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here