kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: দক্ষিণের অন্যতম বড় সুপারস্টার তিনি। ৬৮ বছর বয়সেও তাঁর স্টান্ট ও হিরোগিরি কোনও অংশেই কমেনি। দু’দিন আগেই আইএফএফআইতে মুখ্য অতিথি হিসাবে হাজির ছিলেন রজনীকান্ত। সেখানে তাঁকে গোল্ডেন জুবলি অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত করা হয়। এই অ্যাওয়ার্ড প্রসঙ্গে তিনি জানান, ”প্রথম, যখন তারা অ্যাওয়ার্ড দেওয়ার সময় আমার নাম ঘোষণা করে আমি কিছুটা হলেও অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমি ভেবেছিলাম এই সম্মান পাওয়ার যোগ্য আমি? কিন্তু সেই সব না ভেবে অ্যাওয়ার্ডটি গ্রহণ করি।” তিনি আরও জানান, ”আমি খুবই সাধারণ মনের মানুষ, একজন সাধারণ মানুষের মতোই নিজের জীবন-যাপন করি। হয়ত আমাকে এই নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেন কিন্তু ঠিক আছে সেটাতে আমার কিছুই বলার নেই।” তিনি আরও জানান, ”আজ আমি যে পর্যায় পৌছেছি তার জন্য একমাত্র দায়ী আমার বাবা-মা, ভগবানের আশীর্বাদ ও আমার ফ্যানেরা। তাদের ছাড়া আমি এক পাও চলতে পারি না।”

তিনি আরও জানান, ”কেরিয়ারের শুরুতে আমি কে বালাচান্দের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা করি। তারপরেই জীবন আমার বদলে যায়। আমি চেন্নাই যাই, ফিল্ম ইন্সটিটিউটে যোগদান করি। কিন্তু বিশ্বাস করুন আমি জীবনেই ভাবিনি যে আমি নায়ক হব। আমি তামিল ভাষাটা জানতামই না ভালোভাবে। ১৯৭৫ সালে একটা ছোট্ট চরিত্রে অভিনয় করি, সেটাই আমার জীবনের প্রথম হাতেখড়ি। মাত্র একবার ট্রায়াল দিয়েই অভিনয় করতে নামতে হয়েছিল। আমার গুরু কেবি স্যারেরও সন্দেহ ছিল আমি হিরো হতে পারব কিনা। কিন্তু ভগবানের আশীর্বাদে হিরো হয়ে গিয়েছি, এখনও সেই চরিত্রে অভিনয় করে যাচ্ছি।” যদিও শুধুমাত্র তামিল নয় একাধিক ভাষাতেও কাজ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

রজনীকান্ত জানান, ”ভাষা একটা সমস্যা, কিন্তু ইমোশনটা সর্বত্রই এক। তবে হিন্দি সিনেমাতে কাজ করাটা খুবই কঠিন। ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সালে তখন তামিল আর হিন্দি সিনেমার প্রতিই আমার কাজ করা লক্ষ্য ছিল। যখন সময় বদলাতে লাগল আমি হিন্দি সিনেমাতে কাজ করা বন্ধ করে দিলাম, তখন থেকে শুধুই তামিল সিনেমাতেই অভিনয় করে গিয়েছি।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here