ডেস্ক: কর্ণাটকে এককভাবে ১০৪ টি আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি। কংগ্রেস ও জেডি (এস) যথাক্রমে ৭৮, ৩৭। তাদের জোটে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ১১৫, যা কর্ণাটকে সরকার গঠনের যথেষ্ট। কিন্তু তা সত্ত্বেও কর্ণাটকে সরকার গঠনের জন্য বিজেপিকেই ডেকেছেন কর্ণাটকের রাজ্যপাল বজুভাই ভালা। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্যপালের বিরধিতা করে ব্যক্তিগতভাবে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রবীণ আইনজীবী রাম জেঠমালানি।

প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র, বিচারপতি এ এম খানউইলকর, ও বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চে জরুরি ভিত্তিতে আরজি জানান এই আইনজীবী। এই পরিপ্রেক্ষিতে আদালত খোলার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় এই মামলার শুনানি। আদালতে তিনি বলেন, ‘কর্ণাটকে বিজেপিকে সরকার গঠনের ডাক দিয়ে রাজ্যপাল তাঁর সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, তিনি কোনও দলের হয়ে এই আবেদন করতে আসেননি। তিনি এসেছেন, রাজ্যপালের দেওয়া সাংবিধান বহির্ভূত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। এরপর শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়। যেহেতু কংগ্রেস ও জেডিএসের আবেদন শুনছে বিচারপতির সিকরির নেতৃত্বাধীন তিন-সদস্যের বেঞ্চে। সেহেতু এই মামলা সেখানে আবেদন করতে বলে আদালত।

উল্লেখ্য, কর্ণাটকে কে সরকার গঠন করবে তা নিয়ে নাটক চলছে গত পরশু থেকে। এরপর রাজ্যপালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বুধবার গভীর রাতে মামলা দায়ের করে কংগ্রেস ও জেডি (এস)। গতকাল গভীর রাতে সেই মামলার শুনানির পর সর্বোচ্চ আদালতের তিন বিচারপতি এ কে সিকরি, এস এ বোবদে ও অশোক ভূষণের ডিভিশন বেঞ্চ কংগ্রেস, জেডি (এস)-এর আপত্তি সত্ত্বেও ইয়েদুরাপ্পা মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার অনুমতি দেয়। সেইসঙ্গে এটাও জানিয়ে দেওয়া হয় ১৫ দিনের মধ্যে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমান দিতে হবে তাঁকে। এই মামলার পরবর্তি শুনানি রয়েছে শুক্রবার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here