news bengali

মহানগর ওয়েবডেস্ক : বাংলা লোকগীতির লাইন চুরি করে বিপাকে পড়েছিলেন গায়ক বাদশা। গত মাসে তার প্রকাশিত ‘গেন্দা ফুল’ গানটি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। যার জন্য একপ্রকার বাধ্য হয়েই সোশ্যাল মিডিয়াতে লাইভে এসে ক্ষমা চান বাদশা। তিনি এও বলেন প্রয়োজনে শিল্পী রতন কাহারকে সাহায্যও করবেন।

এদিন সেই কথা মতো কাজটি করে ফেলেছেন বাদশা। কিছুদিন আগেই এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায় গায়ক, বীরভূমের লোকগীতি শিল্পী রতন কাহারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথাও বলেছেন। আর আজ সেই সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে রতন কাহারকে অর্থ সাহায্যের সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন বাদশা। এদিন শিল্পী রতন কাহারের অ্যাকাউন্টে পাঁচ লক্ষ টাকা পাঠিয়ে দিয়েছেন বাদশা।

সূত্রের খবর, লকডাউন উঠলেই বাদশা, বীরভূমে শিল্পী রতন কাহারের বাড়িতে আসবেন বলে কথাও দিয়েছেন। জ্যাকলিন অভিনীত ‘গেন্দা ফুল’ মিউজিক ভিডিও নিয়ে বাদশার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তিনি বাংলার লোকশিল্পী রতন কাহারের লেখা, ‘বড়লোকের বিটি লো, লম্বা লম্বা চুল, এমন মাথায় বেঁধে দেব লাল গাঁদা ফুল’। এই লোকগীতির প্রত্যেকটি লাইন নিজের গানে ব্যবহার করেছেন। অথচ তাঁর গানে কোথাও শিল্পী রতন কাহারের নাম উল্লেখ নেই। আর তাতেই চটে যান আপামর বাঙালি থেকে নেটিজেনদের একাংশ। আর এই ঘটনায় কার্যত চাপে পড়ে ক্ষমাপ্রার্থী হন বাদশা।

বাদশার এই কাজে আহত ও ক্ষুব্ধ হয়ে সংবাদমাধ্যমে শিল্পী রতন কাহার জানিয়েছিলেন, তিনি বাদশার ফোনের অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও আরও এক সংবাদমাধ্যমে শিল্পী জানিয়েছিলেন, ‘বড়লোকের বিটি লো গানটি আমি লিখেছি। গানের সুর, প্রত্যেকটি শব্দ আমার লেখা। এবার মানুষ যদি অসৎ হয় তাহলে আমি কি করব? আমি খুবই গরীব। বহু মানুষ আমার গানের সংলাপ নিয়ে নিজেদের গানে ব্যবহার করেছেন, আমার নামটাও দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি। আমি একটা কুঁড়ে ঘরে বসবাস করি, কাউকে আদালতে টেনে এনে আইনি লড়াই করার ক্ষমতা নেই আমার।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here