corona news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: প্রতিদিনই করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দ্রুতগতিতে বেড়ে চললেও করোনা মুক্ত হওয়ার হারও বাড়ছে প্রতিদিন। সরকার প্রকাশিত তথ্য থেকে পাওয়া গিয়েছে এই স্বস্তির বার্তা। শেষ খবর পাওয়া অনুযায়ী সারা দেশে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৩,৩৮৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০০০ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। মৃত্যু হয়েছে ৪৩৭ জন রোগীর। কিন্তু একই সঙ্গে বেড়েছে সুস্থ হয়ে ওঠার হার।

সরকার প্রদত্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, গত মঙ্গলবার সুস্থ হয়ে ওঠার হার ছিল মোট আক্রান্তের ৯.৯৯ শতাংশ। বুধবার সেই হার বেড়ে হয় ১১.৪১ শতাংশ। বৃহষ্পতি ও শুক্রবার সেটি গিয়ে দাঁড়ায় যথাক্রমে ১২.০২ ও ১৩.০৬ শতাংশে। অর্থাৎ যত দিন যাচ্ছে ততই করোনা সংক্রমণের সঙ্গে যুদ্ধ করে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও বেড়ে যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত বৃহষ্পতিবার একদিনে সর্বাধিক রোগী কোভিড–১৯ সংক্রমণ থেকে নিজেদের মুক্ত করেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৮৩ জন।
রোগ সংক্রমণ ও সুস্থ হওয়ার এই গতিপ্রকৃতি নিঃসন্দেহে সরকারকে উদ্দীপিত করেছে। সরকারি বিশেষজ্ঞদের অনুমান, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা শীর্ষবিন্দু স্পর্শ করবে এবং তারপর থেকে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমতে থাকবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী সপ্তাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই সময় যাদেরই শ্বাসজনিত কোনও সমস্যা রয়েছে তাদের মধ্যে ব্যাপক পরীক্ষা চালানো হবে।

রাজস্থান, পঞ্জাব ও বিহারের মতো রাজ্য যারা প্রথমদিকেই লকডাউন ঘোষণা করে দিয়েছিল, সেই রাজ্যগুলিতে তুলনামূলক ভাবে কোভিড–১৯ সংক্রমণের বৃদ্ধির হার যথেষ্ট কম অন্য রাজ্যগুলি থেকে যারা প্রথমদিকে আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছিল। দিল্লি পরে লকডাউন ঘোষণা করলেও কোয়ারেন্টিনে থাকা মানুষের সংখ্যা কমে এসেছে। যদিও অন্ধ্রপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশের পরিসংখ্যান চিন্তায় রেখেছে সরকারি আধিকারিকদের।

সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে, যেসব অঞ্চলে এখনও পর্যন্ত সংক্রমণের হার অতি সামান্য সেইসব অঞ্চলে নিয়ন্ত্রিত ভাবে কিছু কিছু অর্থনৈতিক কার্যকলাপ শুরু করা হবে ২০ এপ্রিলের পর থেকে। যার মধ্যে নন ব্যাঙ্কিং সহ মাইক্রো ফিনান্স সংস্থা ও অন্যান্য পরিষেবামূলক ক্ষেত্রও রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here