ডেস্ক: স্নেহের কাননের মাথার উপর থেকে দিদির স্নেহের হাত উঠে গিয়েছে আগেই। ছিটে ফোঁটা যেটুকু স্নেহ বাকি ছিল সেটাও শেষ হয়ে গিয়েছে গত মঙ্গলবার। ওদিকে বৈশাখী ঝড়ে শোভনের ২১ বছরের সুখি দাম্পত্য জীবনে এখন শুধুই অন্ধকার। ঘন অন্ধকারের মাঝেই এখন অন্ধের মতো হেঁটে চলেছেন মহানগরের একদা মহানাগরিক। তবে এই চরম পরিস্থিতির মাঝেও শোভনকে এত সহজে ছাড়ার পাত্রী নন স্ত্রী রত্না। বৃহস্পতিবার শোভন চট্টোপাধ্যায়কে আইনি নোটিস পাঠালেন রত্না চট্টোপাধ্যায়।

মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগের পর এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্ত্রী রত্নার বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগেন প্রাক্তন মেয়র শোভন। জানান এক তৃতীয় ব্যক্তির কথা। রত্নাদেবীর জীবনে সেই ব্যক্তির আগমনের পরই নাকি বিষিয়ে যায় দু’জনের সম্পর্ক। এমনকি সেই কারণেই বাড়ি ছাড়তেও বাধ্য হন বিদায়ী মেয়র। শুধু তাই নয় তিনি আরও জানান, তাঁর অজান্তেই জানি জিসিআর নামে একটি কোম্পানি চালু করেন রত্না। জিসিআর অর্থাৎ গোপাল-চিকু-রত্না। আর সেই কোম্পানির নামেই নাকি বাজার থেকে বিশাল পরিমাণ টাকা দেনা করেন রত্নাদেবী। চিকু কে জানতে চাইলে রত্নাদেবী বলেন, উনিই হলেন অভিজিৎ গাঙ্গুলি। ওর সম্পর্কে প্রেমের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে রত্না জবাব দেয়, ‘বেশ করছি প্রেম করছি। যদি পছন্দ না হয় ডিভোর্স করে দাও।’ এমনকি, বৈশাখীর সঙ্গে তাঁর সুন্দর সম্পর্ক কোনও ভাবেই মেনে নেননি রত্না দেবী। বৈশাখী ও তাঁর মেয়েকে সুপারি কিলার ভাড়া করে মারার চেষ্টা হয়েছিল জানান শোভন। এমনকি এমনকি তাঁর জন্মদিনের কেকে নাকি বিষও মেশানোর চেষ্টা হয়েছিল।

সংবাদমাধ্যমের সামনে এহেন বিস্ফোরক অভিযোগের পরই শোভনকে এক হাত নেন রত্না। সংবাদ মাধ্যমের সামনে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আদালতে শোভনকে দেখে নেবেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগ রত্না তুলছেন তার পুরোটাই মিথ্যা। সেইমতো, বৃহস্পতিবার শোভনকে আইনি নোটিস পাঠালেন রত্না দেবী। দাবী, হয় অভিযোগ প্রমাণ করতে হবে নইলে আগামী সাতদিনের মধ্যে শোভনকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here