ডেস্ক: বেশ কছুদিন শান্ত থাকার পর ফের খবরের শিরোনামে কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় ও স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের ঘরোয়া কোন্দল। এবারের সমস্যার কারন মেয়র কন্যার বিদেশ যাত্রা। বিদেশে পড়তে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া মেয়র কন্যার ভিসার জন্য দরকার বাবার সাক্ষর। কিন্তু ভিসার সেই ফর্মে সই করতে নারাজ শোভনবাবু। সইয়ের দাবিতে শোভনবাবুর গোলপার্কের বাড়ির সামনে ধরনায় বসলেন তাঁর স্ত্রী রত্না দেবী।

বৃহস্পতিবার রাত থেকে সইয়ের দাবিতে ধর্নায় বসেন রত্নাদেবী। কিন্তু সই তিনি করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন মেয়র। অনড় স্ত্রীও মেয়রের ঘরের বাইরে নির্ঘুম রাত্রি কাটানোর পর শেষে পুলিশের অনুরোধে শুক্রবার সকালে সেখান থেকে উঠে যান তিনি। আপাত ভাবে উঠে গেলেও সই না নিয়ে তিনি ছাড়বেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন রত্নাদেবী। এদিন সাংবাদিকদের সামনে রত্না দেবী জানান, ‘মেয়ে জার্মানিতে পড়ার সুযোগ পেয়েছে। সেখানকার নিয়ম অনুযায়ী জার্মানির ভিসায় বাবা এবং মায়ের সাক্ষর থাকতে হবে। দুজনের মধ্যে বিচ্ছেদ মামলা চলার কারনে ভিসায় সাক্ষর করেননি শোভন চট্টোপাধ্যায়। আর তাতেই চটেছেন মেয়রের স্ত্রী। বৃহস্পতিবার রাতেই তিনি যান শোভনবাবুর গোলপার্কের বাড়িতে সারা রাত বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেন তিনি। পুলিশের বারংবার অনুরোধের পর শুক্রবার সকালে ধর্না থেকে উঠে রবীন্দ্র সরোবর থানায় যান তিনি। তবে মেয়ের পড়তে যাওয়ার ভিসায় কেন মেয়র সাক্ষর করছেন না তা জানা যায়নি।

অন্যদিকে, মেয়রের স্ত্রীকে পালটা জবাব দিতে রবীন্দ্র সরোবর থানা ঘেরাও কর্মসূচী নিয়েছে মেয়র অনুগামীরা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, থানার কোনও পুলিশ বা কর্মীকে থানার ভতরে বা বাইরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। আপাতত ওই থানাতেই আছেন মেয়র পত্নী রত্নাদেবী। মেয়র অনুগামীদের অভিযোগ, বারে বারে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে বিপর্যস্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যচ্ছেন রত্না দেবী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here