মহানগর ওয়েবডেস্ক: লড়াইটা ছিল ভারতের অধিনায়ক বনাম সহ অধিনায়কের, বর্তমান ক্রিকেটীয় প্রজন্মের সেরা দুই ব্যাটসম্যানের। কিন্তু কোথায় কী। একদিকে রোহিত যেমন ব্যর্থ, অন্যদিকে ব্যর্থ বিরাট কোহলিও। তবে গত ম্যাচে হারের পর ফের একবার জয়ের সরণিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

এদিন টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় মুম্বই। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করে আরসিবি। প্রথম উইকেটে ৮১ রানের পার্টনারশিপ গড়েন পাদিক্কাল ও ফিঞ্চ। ৫২ রান করে বোল্টের শিকার হন অজি তারকা। ৫৪ রান করেন পাদিক্কাল। তবে এদিনও ব্যাট হাতে ব্যর্থ বিরাট। ১১ বলে মাত্র ৩ রান করেন তিনি। তবে শেষ দিকে ডি’ভিলিয়ার্স (২৪ বলে ৫৫) ও শিবম দুবে (১০ বলে ২৭) ঝোড়ো ব্যাটিং করে আরসিবিকে সুবিধাজনক জায়গায় নিয়ে যান। ২০ ওভারে ৩ উইকেট খুইয়ে ২০১ রান করে আরসিবি।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি মুম্বইয়েরও। মাত্র ৮ রান করে আউট হয়ে যান রোহিত। ০ করেন সূর্যকুমার যাদব। ১৪ রান করেন ডি’কক। পরপর তিন উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে যায় মুম্বই। ১৫ রান করে আউট হয়ে যান হার্দিক পান্ডিয়া। তবে দুরন্ত খেলেন ঈশান কিষান। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দেন পোলার্ড। দুজনে মিলে ১৭তম ওভার থেকে যেন রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। জাম্পা হোক বা চাহাল, কাউকেই রেয়াত করেননি তারা। শেষ ৬ বলে বাকি ছিল ১৯ রান। কিন্তু শেষ দুই বলে ৫ রান যখন বাকি, তখনই ছয় মারতে গিয়ে আউট হন ঈশান (৯৯)। আর শেষ বলে চার মেরে ম্যাচকে সুপার ওভারে নিয়ে যান পোলার্ড।

সুপার ওভারে মুম্বইয়ের হয়ে ব্যাট করতে নামেন পোলার্ড ও হার্দিক। আরসিবির হয়ে বল করেন সাইনি। সেই ওভারে মাত্র ৭/১ রান করে মুম্বই। জবাবে আরসিবির হয়ে ব্যাটে নামেন এবিডি ও কোহলি, মুম্বইয়ের হয়ে বল করেন বুমরাহ। কিন্তু সাত রান ডিফেন্ড করতে পারেনি মুম্বই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here