bengali news on nitish

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সোমবার লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনীয় বিল সমর্থন করায় দলের ওপর ক্ষুব্ধ ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রশান্ত কিশোর৷ এরপর আরও একনেতা নীতীশকে সতর্ক করলেন৷ বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে দলের জাতীয় মুখপাত্র পবন কে বর্মা সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন৷ মঙ্গলবার তিনি ট্যুইটে বলেন, আমি নীতীশ কুমারের কাছে আবেদন করছি, যাতে তিনি রাজ্যসভায় সমর্থন করার সিদ্ধান্ত বিবেচনা করেন৷ বিলটি অসাংবিধানিক, বৈষম্যমূলক, দেশের একতা ও সম্প্রীতির বিরোধী৷ লোকসভায় জেডিইউ-এর সাংসদ সংখ্যা ১৬৷ রাজ্যসভায় ৬৷ এদিকে আগেই বিজেপির সঙ্কট বাড়িয়েছে শিবসেনা৷ তারা আদৌ রাজ্যসভায় সমর্থণ করবে কিনা, তা স্পষ্ট করেনি৷ বরং ধোঁয়াশা বজায় রেখেছে৷ দলের তরফে বলা হয়েছে, বিল পরিবর্তন করা না হলে তারা রাজ্যসভায় সমর্থন নাও করতে পারে৷

এর আগে প্রশান্ত কিশোর দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছেন৷ তিনি সাফ জানিয়েছেন, এই বিলে সমর্থন করা তিনি মানতে পারছেন না৷ এরপর আর এক নেতা এই নিয়ে নীতীশের কাছে আর্জি পেশ করলেন৷ ফলে বেশ বিপাকে পড়লেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী৷ বিভিন্ন ইস্যুতে বিজেপির বিরোধিতা করেছে জেডিইউ৷ ক্যাব প্রথম নয়৷ এর আগে তিন তালাক ও ৩৭০ ধারা নিয়েও মোদী সরকারকে সমর্থন করেননি নীতীশ কুমার৷ প্রশ্ন হল, বিহারে বিজেপির সমর্থন নিয়ে তাঁর সরকার চলছে৷ তাহলে তিনি কেন বিরোধিতা করছেন? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনও কোনও ইস্যুতে সমর্থন না করলেও সরকার চালানোর দায়বদ্ধতা রয়েছে নীতীশের৷ তাই বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি সরকার চালাচ্ছেন৷

সোমবার লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পেশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রবল হইহট্টগোলের পর রাতে লোকসভায় পাশ হয়ে যায় সেই বিল। আর তাতে সমর্থন জানান জেডিইউ সাংসদরা। এরপরই আসরে নামেন প্রশান্ত কিশোর। রীতিমতো ট্যুইট করে তিনি লেখেন, ‘ধর্মের ভিত্তিতে যে বিল তৈরি হয়েছে, তাকে সমর্থন করেছে জেডিইউ। লোকসভায় দলের এই ভূমিকা দেখে আমি হতাশ। জেডিইউয়ের সংবিধানের প্রথম পাতাতেই তিন বার ধর্মনিরপেক্ষতার কথা লেখা রয়েছে। ওই গাইডলাইনের পরও দলের নেতারা এমন কাজ করলেন!’ এর আগে বেসুর গেয়েছে শিবসেনাও৷
সঞ্জয় রাউত বলেন, লোকসভার মতো একই কায়দায় আমরা ভোট নাও দিতে পারি৷ উদ্ভূত পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷ ফলে বিজেপির যে চাপ বাড়ল, তা বলাই যায়৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here