kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ব্যারাকপুর: ব্যারাকপুর নাপিতপাড়ার বাসিন্দা পেশায় আইনজীবী নেশায় সমাজসেবী তথা প্রদেশ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট তপাদার। যিনি সারা বছর ধরেই মানুষের পাশে থাকেন। কখনও বৃদ্ধাশ্রম, কখনও ফুটপাথবাসী, অনাথ শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের জীবনের আনন্দ ভাগ করে নেন সহানুভূতি আর ভালবাসা দিয়ে। করোনা নামক এই মহামারিতে যে তিনি চুপ করে বসে থাকবেন তা হয় না। তাই টানা ৩২ দিন ধরে এই লকডাউনের মধ্যেও তিনি সমাজসেবা চালিয়ে যাচ্ছেন নীরবে-নিভৃতে।

লকডাউনের শুরু থেকেই প্রতিদিন তিনি ১৪০ থেকে ১৭০ প্যাকেট খাবার তুলে দিচ্ছেন টিটাগড় থানার পুলিশের হাতে। পুলিশ সেই খাবার এলাকার প্রান্তিক মানুষের হাতে তুলে দিচ্ছে। সামাজিক দূরত্বের এই সময়েও তিনি নিঃশব্দে ৩২ দিন ধরে ৭৭টি পরিবারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। তবে এ নিয়ে বিশেষ বাড়াবাড়ি পছন্দ নয় সম্রাটের। তাই ওই সকল পরিবারের নাম প্রকাশ্যে না এনে সহকর্মীদের নিয়ে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন বাড়ি-বাড়ি। এর পাশাপাশি তিনি মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৫১ হাজার টাকা দান করেছেন। সম্রাটের এই কাজে পাশে থাকার জন্য বহু মানুষ এগিয়ে আসলে তিনি তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সেই সাহায্য মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে দান করতে বলেন। তার কথা শুনে অনেকই ব্যারাকপুর মহকুমাশাসকের হাতে চেক তুলে দেন।

পাশাপাশি করোনা যুদ্ধে যারা লড়ে চলেছেন সেই সকল যোদ্ধা অর্থাৎ চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশকর্মী, সাফাইকর্মীদের সম্মাননা জানিয়েছেন তিনি। অক্ষয় তৃতীয়ার দিনেও সম্রাট টিটাগড় থানার আইসি অনিমেষ সিংহ রায়ের নেতৃত্বে সেখানকার পুলিশকর্মীরা নিরলস ভাবে যে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তার কথায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনের পর দিন মানুষের কাছে গিয়ে তাদের অভয় দিচ্ছেন, তাদের পাশে থাকছেন, তাদের আর্থিক ও অন্যান্য দিক দিয়ে সাহায্য করে চলেছেন- এসব দেখে তিনি উৎসাহিত হয়ে এই কাজ করছি। তার মতে, এখন সব রাজনীতি ভুলে দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষকেই এগিয়ে আসতে হবে। সকলেই তার নিজের মতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিক সমাজের প্রান্তিক মানুষগুলির দিকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here