ভাগাড়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাঘ মামাদের উচ্ছিষ্টও কি চেটেপুটে খেত শহরবাসী!

0
374

ডেস্ক: ভাগাড় কান্ড সামনে আসার পর, গলায় আঙুল দিয়ে এখন বমি করতে উদ্যত রাজ্যবাসী। রেস্তোরাঁতে মাংস আর কখনও খাবেন না বলে প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন অনেকেই। ভাগাড় মাংস বন্ধ করতে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। এত কিছুর মাঝে এবার উঠে আসলো নতুন প্রশ্ন। ভাগাড়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চিড়িয়াখানায় উচ্ছিষ্ট মাংসও কি খাওয়ানো হয়েছে শহরবাসীকে? উঠছে সে প্রশ্নও।

জানা গিয়েছে, আলিপুর চিড়িয়াখানায় বাঘ, সিংহ সহ অন্যান্য মাংসাশী প্রাণীদের জন্য প্রতিদিন গড়ে ১২০ থেকে ১২৫ কেজি মাংস কেনে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। চিড়িয়াখানার সমস্ত পশুদের খাওয়ানোর পরও বেচে যেত প্রায় ১৫ কেজির মতো মাংস। একবার মাংস দেওয়ার পর সেই মাংস পুনরায় পশুদের দেওয়ার নিয়ম নেই চিড়িয়াখানায়। ফলে বেঁচে যাওয়া এই মাংসই নিয়ে যাওয়ার জন্য ২৬০০ টাকা দিয়ে এক ব্যক্তিকে নিয়োগ করেছিল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। আর ঠিক এই মাংস নিয়েই উঠে আসছে প্রশ্ন?

চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপ্রীত দাস নামে ওই ব্যক্তি ফিশারিতে মাছকে খাওয়ানোর জন্য চিড়য়াখানা থেকে নিয়ে যেত ওই মাংস। তবে তা মাছকে দেওয়া হত নাকি বাইরে পাচার চলত তার তদন্ত করতে চান ভাগাড়কাণ্ডের তদন্তকারীরা। কিন্তু রামপ্রীত দাসের মোবাইল নম্বরও পাওয়া যায়নি চিড়িয়াখানার তরফে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার পুরসভার কর্তাদের নিয়ে চিড়িয়াখানা ও তার বাইরের রেস্তরাঁগুলিতে অভিযান চালান মেয়র পারিষদ স্বাস্থ্য অতীন ঘোষ। চিড়িয়াখানার মাংস কোথা থেকে কিভাবে আনা হয় সে বিষয়ে খোঁজ খবর করতে গিয়েই বেরিয়ে আসে এই উচ্ছিষ্ট মাংসের কথা। তবে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে স্বীকৃত একটি সংস্থা থেকে দরপত্র ডেকে মাংস কেনা হয় পশুদের জন্য। সেই মাংস পশুদের দেওয়ার আগে পরীক্ষা করে তা দেখেন চিকিৎসকরাও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here