victim ope

Highlights

  • গণধর্ষণের ঘটনার পর কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন নির্যাতিতা যুবতি। এখনও মেলেনি বিচার
  • অভিযুক্তরা জামিনে ছাড়া পেয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নির্যাতিতা যুবতির পরিবারকে খুনের হুমকি দিচ্ছে
  • নির্যাতিতা যুবতির পরিবারের লোকজন দ্বারস্থ হয়েছেন পুলিশ সুপারের

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদা: গণধর্ষণের ঘটনার পর কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন নির্যাতিতা যুবতি। এখনও মেলেনি বিচার। এদিকে, অভিযুক্তরা জামিনে ছাড়া পেয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নির্যাতিতা যুবতির পরিবারকে খুনের হুমকি দিচ্ছে। বাধ্য হয়ে নির্যাতিতা যুবতির পরিবারের লোকজন দ্বারস্থ হয়েছেন পুলিশ সুপারের।

নির্যাতিতা যুবতির পরিবারের অভিযোগ, প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে ওই যুবতিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী সাইদুর রহমান, তাহির আলি, তোরাব আলি। ঘটনার পর অভিযোগের ভিত্তিতে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তরা কিছুদিনের জন্য সংশোধনাগারে থাকার পরে জামিনে ছাড়া পায়। সংশোধনাগার থেকে বেড়িয়ে নির্যাতিতা যুবতি ও পরিবারের লোকজনকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে অভিযুক্তরা। গত ২৫ জানুয়ারি ফের ওই যুবতির পরিবারের লোকজন হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ নির্যাতিতা পরিবারের কোনও রকম সাহায্য করেনি বলে অভিযোগ ওই যুবতির পরিবারের। গত ২ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্তরা নির্যাতিতা যুবতির পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করে বলেও অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ নির্যাতিতা যুবতির দুই ভাইকে গ্রেফতার করে। বাধ্য হয়ে নির্যাতিতা যুবতি পরিবারের লোকদের সঙ্গে নিয়ে এদিন পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হন।

মালদা আদালতের আইনজীবী তথা গৌড়বঙ্গ হিউম্যান রাইটস্ অ্যাওয়ারনেস সেন্টারের সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় দাস জানান, নির্যাতিতা যুবতি ও তার পরিবার কোনও বিচার পাচ্ছে না। অভিযুক্তরা জামিনে ছাড়া পেয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে। বাধ্য হয়ে ওই যুবতি পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছেন।

নির্যাতিতা ওই যুবতি জানান, ২০১৭ সালে স্কুল যাওয়ার সময় অভিযুক্ত তিনজন তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে তিনি এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে কিছুদিন অভিযুক্তরা জেলে ছিল। জামিনে ছাড়া পেয়ে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিতে থাকে অভিযুক্তরা। অভিযোগ তুলতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে অভিযুক্তরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁর দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে। বাধ্য হয়ে তাঁরা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছেন। পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হওয়ার কথাও বলেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here